X
ইউটিউবে চ্যানেল করেছেন। ভিডিও আপলোড দিয়েছেন কিন্তু আপনার ভিডিওতে Views নেই। বিভিন্ন Group এ দেখেছেন Real Views সেল করা হচ্ছে। আপনিও ভাবছেন View কিনবেন। তাদের জন্য আজকের আমার পোষ্ট। 

YouTube Related নতুন ভিডিওগুলো পেতে প্রথম আমার চ্যানেলে Subscribe করুন এবং বেল আইকনটি অন করে দিন।   

আমি একটা চ্যানেল বানিয়েছি। এবং ভিডিও আপলোড করেছি। লক্ষ লক্ষ  View Buy করেছি । লাইক Buy করেছি । Subscribe ও Buy করেছি । আমার চ্যানেলের বয়স ৩ মাসের মত। এখন আমার ভিডিওগুলোতে লক্ষ লক্ষ ভিউ । View কিনতে আমার খরচ হয়েছে মাত্র ২০ হাজার টাকা। আর আমি এখন Monthly ১ হাজার ডলার Earn করছি। YouTube এর কাজ করা এত সহজ তা আগে বুঝিনি। কিছু টাকা খরচ করে আমি এখন ডলার ইনকাম করছি। ভাবছি আরো ৩টি চ্যানেল করব এবং এভাবে প্রতি চ্যানেল থেকে ১ হাজার ডলার হলে আমি ৪টি চ্যানেল থেকে ৪ হাজার ডলার Earn করব মানে হল প্রায় সাড়ে ৩ লক্ষ টাকা প্রতি মাসে।  আমার Earning প্রতি মাসে সাড়ে ৩ লক্ষ টাকাতেই থেমে থাকবে না। কয়েক মাস পড়ে তা ৮-১০ লক্ষ টাকাতে পৌছবে আশা করি। আপনিও এভাবে Earn শুরু করে দিন আমার মত। আমরা কেউ আর বেকার বা গরিব থাকব না।

এতক্ষন যারা আমার এই কথা গুলো পড়ছেন তারা হয় অনেকে মনে মনে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আমার মত কিছু টাকা ইনভেস্ট করে কাজ শুরু করে দিবেন আবার অনেকেই আমাকে মিথ্যুক, চাপাবাজ কিংবা পাগল বলছেন। আর অনেকেই হাজার হাজার ডলারের স্বপ্ন দেখা শুরু করে দিয়েছেন। এতক্ষন যারা আমাকে পাগল বা চাপাবাজ মনেকরছেন তাদের আইডিয়াই ঠিক আছে। কারন উপরের কথাগুলো পাগল কিংবা চাপাবাজরাই বলতে পারে। আর যারা আমার কথাগুলো শুনে হাজার হাজার ডলারের কথা চিন্তা করছেন তারা এতক্ষন ভুল স্বপ্ন দেখছেন।

যারা আপনার কাছে ভিউ সেল করার জন্য রিকুয়েস্ট করছে তারা আপনাকে এই রকমভাবেই বলছে। এবং এই রকমই স্বপ্ন দেখাচ্ছে।


YouTube কিভাবে  Views কাউন্টস করে ?
 আপনার একটা ভাল মানের আপলোড করবেন এবং আপনার এই  ভিডিওতে যখন  ১ লক্ষ ভিউ হবে তখন যে বিষয়গুলো থাকবে তা হল ১ লক্ষ ভিউ হলে তার সাথে ৬০% Viewers দের ভিডিওটা ভাল লাগবে তার  মধ্য থেকে কিছু Viewers আপনার ভিডিওতে লাইক দিবে আর ২০% Viewers দের  ভিডিওটা হয়ত ভাল লাগবে না  তার মধ্যে থেকে কিছু Viewers  আপনার ভিডিওতে ডিসলাইক দিবে। আর ২০% Viewers দের ভাল-মন্দ কোনটাই লাগবে না। তারা কোন লাইক দিবে না। আর Total ভিডিও Viewer দের মধ্যে থেকে ১০% ভিউয়ার আপনার ভিডিওতে কমেন্টস করবে । ৫% ভিউয়ার ভিডিওটি শেয়ার করবে। আর ৫% ভিউয়ার আপনার ভিডিও এড এ ক্লিক করবে।  এই পারসেন্টেস কিছু কম বেশী হতে পারে। তবে ইউটিউব এভাবেই ভিউ কাউন্ট করে। অর্থ্যাত ইউটিউব দেখে ইউজার এনগেজমেন্ট। মানে হল ভিউ এর পাশাপাশি ভিডিওতে লাইক, শেয়ার , কমেন্টস। আর এই সবগুলো বিষয় যখন থাকবে ইউটিউবের কাছে তাই হল রিয়েল Viewers.

যারা ভিউ Buy করতে চান তার হয়ত ভাবছেন আপনি ত শুধু ভিউ Buy করছেন না। তার সাথে Like, Dislike, Comments and Share Buy করছেন । তাহলে ত সবকিছুই ঠিক আছে। YouTube কে যারা বোকা মনে করে এই কাজটা করছেন তারাই আসলে বোকমীর মত কাজ করছেন। Video Views এর উপর আরো কিছু বিষয় আছে। তা হল

আপনার ভিডিওটি যারা ভিউ করবে তারাই আপনার ভিডিওতে লাইক দিবে, ডিসলাইক দিবে, কমেন্টস করবে, শেয়ার করবে এবং এড এ ক্লিক করবে।

YouTube সাধারনত আপনার Media Access Control (MAC) address , Ethernet Hardware Address (EHA) এবং আপনার নেটওয়ার্ক আইপি Address Track করে। ইউটিউব যখন দেখবে একই পিসি বা একই আইপি থেকে আপনার ভিডিওটি ভিউ হচ্ছে আর যে আইপি থেকে আপনার ভিডিওটি ভিউ হচ্ছে তা থেকে কোন লাইক, ডিসলাইক বা কমেন্টস নেই। আপনার লাইক, ডিলাইকগুলো যে আইপি থেকে হচ্ছে সেই আইপি থেকে কোন ভিউ নেই। তখনই আপনার ভিডিও ভিউ গুলো YouTube Fake মনে করবে আর আপনার চ্যানেলটি সাসপেন্ড করে দিবে।

আরো একটা বিষয় আছে তা হল ইউটিউব যখন দেখবে আপনার ভিডিওতে Watch Time এবং Audience Retention সব ভিডিওতে ১ বা ২ সেকেন্ড তখনই ইউটিউব আপনার চ্যানেলটিকে ব্যান করে দিবে। Watch time and Audience Retention হল এভারেজ ভিউ এবং এভারেজ ডিউরেশন। আর্থ্যাত আপনার একটি ভিডিওতে যখন ১ লক্ষ ভিউ থাকবে তাহলে সবাই কি আপনার ভিডিওগুলো ১ বা ২ সেকেন্ড করে দেখবে ? আর Watch time and Audience Retention ভিডিও রেঙ্ক এর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ন।

Fake Views কিভাবে হয় ?
Fake Views নিয়ে কাজ করে এই রকম অনেক ওয়েবসাইট আছে গুগুলে সার্চ করলে অনেক ওয়েবসাইট আছে যারা ভিউ সহ অন্যান্য Service দিয়ে থাকে। আর এমন অনেক টুলস এবং সফটওয়্যার আছে যা দিয়ে আপনি ভিউ বাড়াতে পারেন।

ওয়েবসাইটগুলো কিভাবে ভিউজ নিয়ে কাজ করে : 
ভিউ সার্ভিস দেয় অনেক ওয়েবসাইটের কাজের ধরর আলাদা। কিছু সাইট আছে যারা আপনার কাছ থেকে ভিউ এর বিনিময়ে ডলার নিবে । তারা যে কাজটি করে তা হলে Auto Generate কিছু টুল, প্লাগইন বা ওয়েবসাইট আছে যা থেকে ভিউ সংগ্রহ করে। যেমন : কিছু ডাউনলোড সাইট দেখবেন আপনি যখন ডাউনলোডে ক্লিক করবেন তখন সাথে সাথে ৪/৫ টি লিংক ওপেন হয়ে যায়। আর বুঝে না বুঝে তা Close করে দেন সাথে সাথে। তারা সাধারনত এভাবেই সার্ভিস দিয়ে থাকে।

বাংলাদেশে অনেকেই এই Service দিয়ে থাকে । তাদের মধ্যে বেশীর ভাগই যে কাজটা করে তা হলো Proxy বা VPN দিয়ে অটো ভিউ করে দেয় । নির্দিষ্ট একটা সময় দেয় সেই সময় পর পর তা রিপ্রেস হয়।

যারা Views, Like, Dislike, Comments, Share, Subscribe সহ এই সার্ভিস দেয় তারা অথবা তাদের ওয়েবসাইটে দেখা যায় খুবই জোরালো ভাবে ১০০% গ্যারন্টি দিচ্ছে যে Real Views এবং ইউটিউব চ্যানেলে কোন সমস্যা হবে না । আর অনেক সাইট দেখা যায় তারা নাকি ইউটিউবের পারমিশন নিয়ে এই Service দিচ্ছে। মনে রাখবেন YouTube কখনও Fake জিনিস এলাউ করে না। তারা সব সময় রিয়েল পছন্দ করে। যারাই ইউটিউব আজ সফল তারাই খুবই কষ্ট করে এবং রিয়েল ভাবে কাজ করে এই পর্যায়ে আসছে।

তাই ইউনিক কন্টেন্ট নিয়ে ভাল মানের ভিডিও তৈরী করেন, এসইও করেন আপনার ভিডিও ভিউ হবেই আর আপনি সফল হবেনই। আর ইউটিউব কাজ করতে হলে যে বিষয়টা সবচেয়ে বেশী দরকার তা হল ধৈর্য্য।


তাই যারা Views, Like, Dislike ইত্যাদি Buy করার কথা ভাবছেন তারা আপনার এই টাকা দিয়ে ভিডিও তৈরীর কাছে খরচ করুন । তারপরও যদি Buy করতে চান তাহলে আপনার চ্যানেলটা ব্যান হওয়ার জন্য তৈরী থাকুন। আজ, কাল বা পরশু আপনার চ্যানেল  সাসপেন্ড হবেই। 

এই বিষয়ক একটা ভিডিও আছে আমার চ্যানেলে। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

আমার চ্যানেলটিতে সাবস্ক্রাইব করতে ভুলবেন না। 

যারা Views, Subscribe Buy করবেন তারা এই পোষ্টটি একবার পড়ে নিন।


Play free games at

Tomb Runner game | play in online free

আসসালামু আলাইকুম। আশা করি সবাই ভাল আছেন আর ভাল থাকবেন এটাই কামনা করি সারাক্ষন। ফ্রিল্যান্সিং এর যুগে অনলাইন আর্নিং এর প্রতি কম বেশী সবার আগ্রহ। কিন্তু অনেকেই অহেতুক সময় নষ্ট করে এই ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য। আজ আমি আপনাদের নিয়ে আলোচনা করব কিভাবে আপনি ইউটিউব থেকে আয় করবেন। প্রথমে আমার ইউটিউব চ্যানেল  থেকে ঘুরে আসুন আর আমার চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন। আপনারা অনুপ্রনিত হবেন এবং আমাকেও অনুপ্রানিত করবেন।

. চলুন একটি একাউন্ট তৈরি করি  
প্রথমেই একটি সুন্দর নাম নির্বাচন করুন নামটাই অনেক কিছু। তাই প্রথমেই এমন একটি নাম চিন্তা করুন যা এর আগে কেউ ব্যবহার করেনি। নামটি আপনি যে কোন বিষয়ের উপর নিতে পারেন, সেটা হতে পারে রান্না বিষয়ক, গেমস নিয়ে, স্বাস্থ্য নিয়ে বা যে কোন বিষয়। কিন্তু সাবধান একবার যদি আপনি আপনার চ্যানেলের নাম ঠিক করে ফেলেন তাহলে তা আর কখনো পরিবর্তন করতে পারবেন না। দরকার হলে অনেক সময় নিয়ে চিন্তা করুন, ভাবুন তারপর ঠিক করুন আপনার ইউটিউব চ্যানেলের নাম। তবে নামটি অবশ্যই এমন একটি নাম দিবেন যাতে আপনার চ্যানেলের নাম খুব সহজে মনে রাখা যায়। ভুল করেও কখনো সংখ্যা দিয়ে নাম ব্যবহার করবেন না। এই সাইটে গিয়ে আপনি চেক করে নিতে পারেন আপনি কোন নামটি দিবেন। সাইটটির ঠিকানা - http://socialblade.com/youtube/namegen   এই ঠিকানায় গিয়ে চেক করে নিতে পারেন আপনার নামটি ঠিক আছে কিনা? 

একটি ইমেইল নিবার্চন করুন আপনার চ্যানেল এর জন্য   আমরা সবাই জানি ইউটিউবে একাউন্ট খুলতে একটি ইমেইল লাগবে। আর এজন্য অবশ্যই আপনাকে জিমেইল ব্যবহার করতে হবে। তাই প্রথমেই একটি নতুন জিমেইল একাউন্ট খুলে নিতে হবে। একাউন্টটি অবশ্যই ভেরিভাই করে নিতে হবে। আর মনে রাখবেন ২ ধাপ এর ভেরিফিকেশন দিয়ে রাখবেন আপনার একাউন্টে। তাহলে আপনি ছাড়া আর কেউ এই একাউন্টে প্রবেশ করতে পারবে না।

চ্যানেল তৈরী করার জন্য এই ভিডিওটা দেখতে পারেন এখান থেকে


. কপিরাইট এবং ফেয়ার ইউজেস 
কপিরাইট এড়িয়ে চলুন আপনি যখন আপনার ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করে ফেলেছেন তখন আপনি ইউটিউব এর পার্টনার। আর পার্টনার থাকা অবস্থায় এমন কোন ভিডিও আপলোড করবেন না, যাতে কপিরাইট থাকে। যেমন অন্যের গান এর মিউজিক নকল করে আপনার ভিডিওতে ব্যবহার, অন্য কোন টিভি চ্যানেলের অনুষ্ঠান। আপনি আপনার ভিডিওতে ইউটিউবের নিজস্ব কিছু গানের ট্রাক থেকে গান নির্বাচন করে ব্যবহার করতে পারেন। কখনোই নকল করবেন না, কারণ ইউটিউব জানে আপনি কোথা থেকে কি ব্যবহার করেছন। সুতরাং সাবধান। এরপরও যদি আপনি এরকম কোন ভিডিও আপলোড করেন, তারা আপনাকে কয়েকবার সাবধান করে দিবে, আপনার কপিরাইট ভিডিও আপলোড এর সংখ্যা যদি বেশি হয় তাহলে আপনার একাউন্টটি তারা ব্যন করে দিবে। আমি আপনাদেরকে সাজেশন দিতে পারি এই  http://youtube.com/erait  চ্যানেলটি দেখার জন্য। এখান থেকে আপনি জানতে পারবেন ইউটিউবে কি করা উচিত কি করা উচিত নয়।

. কি কি প্রোগাম আর সফটওয়্যার ব্যবহার করবেন  

ভিডিও এডিটর 
ভিডিও এডিট করার জন্য অবশ্যই ভালো কোন সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হবে। ফ্রি তে অনেক ভিডিও এডিট করার সফটওয়্যার পাবেন, কিন্তু আমি বিশেষভাবে ব্যবহার করেত বলবো অফড়নব চৎবসরবৎব.। এই সফটওয়্যারটি আপনি ম্যক ও উইনডোজ দুটোতেই ব্যবহার করতে পারবেন। তবে অবশ্যই যে সফটওয়্যার ব্যবহার করেন না কেন তা কিনে ব্যবহার করুন। আর ভিডিও এডিটিং করা অনেক সহজ একটি কাজ যদি আপনি অনেকটা ধৈর্য ধরে এই কাজটি শিখতে পারেন। এছাড়াও আরো যে যে এডিটিং সফটওয়্যার আছে সেগুলোও ট্রাই করতে পারেন। আপনি আপনার মোবাইল কিংবা ভিডিও ক্যামেরা দিয়ে যা ভিডিও করেছেন, তা প্রথমে এডিট করে নিন, এরপর আপলোড করুন ইউটিউবে।

ইনট্রো নির্বাচন করুন
আপনি আপনার চ্যানেলের জন্য সুন্দর একটি ইনট্রো নির্বাচন করুন। মনে রাখবেন এই ইনট্রোর উপর নির্ভর করবে আপনার অনেক কিছু। আপনার হাতে অনেক সময় আছে, আস্তে ধীরে তৈরি করুন আপনার ইনট্রো। ইনট্রোর সময় বেঁধে দেয়া আছে ১০ সেকেন্ড। এই ১০ সেকেন্ডের মধ্যে আপনাকে আপনার চ্যানেলের একটি সুন্দর ইনট্রো বানাতে হবে। আপনার চ্যানেলের একটি লোগো বানিয়ে নিন, এরপর গুগোল থেকে অনেক টেমপ্লেট পাবেন ইনট্রো বানানোর জন্য; একটি টেমপ্লেট নির্বাচন করে ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার দিয়ে লোগো সহ ১০ সেকেন্ড এর একটি ইনট্রো বানিয়ে ফেলুন। আপনি ভিডিও তৈরি করার যে কোর সফটওয়্যার দিয়ে এই ইনট্রো বানাতে পারেন, তবে মনে রাখবেন আপনার ইনট্রোটি যেন ভিডিও ফরমেট এর হয়। এরপর থেকে আপনি যে ভিডিও আপলোড করেন না কেন, সেটা শুরু হবার আগে এই ইনট্রোটি দেখা যাবে। ইনট্রো করার পর তা আপনি আপলোড করেবন আপনার চ্যানেলের ইন ভিডিও প্রোগ্রাম এর ভিতরে- ইন ভিডিও প্রোগ্রাম পাবেন আপনার চ্যানেলের ড্যাশবোর্ড এর চ্যানলে সেটিংস এর ভিতর। এখানে যাবার পর এরকম কয়েকটি ছবি দেখতে পাবেন, তারমধ্যে Add a branding intro এখানে আপনার তৈরি ইনট্রোটি আপ করবেন।

অডিও এডিটিং এর টিপস এন্ড ট্রিক্স 
অডিও এডিটিং অনেক গুরত্বপূর্ণ আপনার ভিডিওটির জন্য। আর অডিও এডিটিং এর উপর নির্ভর করে ইউটিউব আপনার ভিডিওটি মনটানাইজেশন করতে দিবে কি দিবে না। আমি আপনাদেরকে কিছু টিপস বলে দিব সেগুলো যদি ঠিকমতো মেনে চলেন তাহলে আশা করি আপনি একটি ভালো রেজাল্ট পাবেন ইউটিউব এর কাছ থেকে।
. প্রথমেই নিশ্চিত হয়ে নিন যে আপনার তৈরি করা অডিও ফাইলে কোন ধরনের ব্যকগ্রাউন্ড নয়েজ নেই। ভয়েজ রেকর্ডিং - এ অনেক সময় এসি বা ফ্যান এর শব্দ শোনা যায়, চেষ্টা করবেন এই জাতীয় নয়েজগুলো এড়িয়ে যেতে।
খ. একটি ভালো ভিডিও একটি খারাপ অডিও এর কারণে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই চেষ্টা করুন ভালো অডিও দিতে। দরকার হলে নিজেই অডিও বানিয়ে নিন। অন্যের অডিও কখনোই ব্যবহার করবেন না। অডিও বানানোর জন্য অনলাইনে অনেক সফটওয়্যার পাওয়া যায়; সেগুলো ব্যবহার করতে পারেন।
গ. আপনার অডিওটি আপনি নিজেই কয়েকবার শুনুন, আপনার কাছে ভালো লাগলে এরপর আপনার ভিডিওর সাথে যোগ করুন।

চ্যানেলের সুন্দর একটি লোগো আর একটি কাভার ফটো বানান   আপনি যদি গ্রাফিক্স ডিজাইনে ভালো হন, তাহলে আপনার চ্যানেলের সুন্দর একটি লোগো আর একটি কাভার ফটো বানিয়ে ফেলুন। কাভার এবং লোগো বানানো জন্য ফটোশপ এবং ইলাস্ট্রেটর ব্যবহার করতে পারেন।

. টাইটেল, বর্ণনা এবং ট্যাগ 
টাইটেল  টাইটেল, বর্ণনা এবং ট্যাগ হচ্ছে একটি ভিডিওর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আপনার ভিডিও যত ভালোই হোক না কেন, এই তিনটি ছাড়া এর কোন মূল্য নেই। কয়েক হাজার ভিডিও এর মধ্য থেকে মানুষ আপনার ভিডিও তখনই দেখবে যখন আপনার ভিডিওতে এই তিনটির সমন্বয় থাকবে। শুরুতেই কিওয়ার্ড রিসার্চ করে আকর্ষণীয় টাইটেল তৈরি করুন। আর আপনার টাইটেল তৈরি করার জন্য কিওয়ার্ড রিসার্চ করতে হবে। চলুন দেখি কি কি উপায়ে কিওয়ার্ড রিসার্চ করা যায়।

. কিওয়ার্ড রিসার্চ (কিওয়ার্ড রিসার্চ কিভাবে করবেন তার জন্য এই ভিডিওটা দেখুন)

পদ্ধতি- ইউটিউবে সার্চ দিতে পারেন আপনার কাঙ্খিত ভিডিওর সাথে মিল রেখে। যেমন ধরুন আপনার ভিডিওটি যদি হয় Funny Videos  নিয়ে তাহলে ইউটিউবে সার্চ দিন- Bangla Funny Videos। এবার দেখুন কি কি রেজাল্ট দেখায়, এখান থেকেই বেচে নিতে পারেন আপনার টাইটেল টি অথবা নিজেই এই সমস্ত টাইটেল থেকে আপনারটা বানিয়ে নিতে পারেন।

পদ্ধতি- আর একটু নিশ্চিত হতে ব্যবহার Google Adword Tools  গিয়ে আপনার কাঙ্খিত কিওয়ার্ড লিখে Search করতে  পারেন ।

পদ্ধতি- আপনি যে টাইটেল দিতে চাচ্ছেন তা ইউটিউবে লিখে সার্চ দিন, এবং দেখুন একদম প্রথমে কোনটি আছে। সেটার কাছাকাছি একটি টাইটেল তৈরি করতে পারেন। শুধু টাইটেল নয়, আপনি ভালো করে দেখে নিন সেই ভিডিওতে কি কি ট্যাগ ব্যবহার করা হয়েছে, আর বর্ণনাতে কি লেখা আছে। আপনি চাইলে সেগুলোও আপনার ভিডিওতে ব্যবহার করতে পারেন, তবে সেটা নিজের মতো করে বানিয়ে নিবেন।

খ. বর্ণনা  বর্ণনা এমনভাবে দিবেন যেন আপনার বর্ণনার ভেতর অবশ্যই টাইটেল এবং ট্যাগ এর উপস্থাপনা থাকে। বর্ণনা করার সময় অবশ্যই আপনার চ্যানেলের লিংক দিতে ভুলবেন না। আপনার বর্ণনার ভেতর আপনার চ্যানেলের লিংক প্রতিস্থাপন করুন। বর্ণনা যত বড় করবেন আপনার জন্য ততই ভালো। আপনার ভিডিও তে আরো যোগ করুন ফেসবুক ফ্যান পেজ, টুইটার একাউন্ট সহ আরো যে সমস্ত সোস্যাল নেটওর্য়াকিং সাইটে আপনি যুক্ত আছেন সেগুলো।

গ. ট্যাগ এবার আপনার ভিডিও অনেকটাই তৈরি পাবলিশ করার জন্য। শুধুমাত্র শেষ এই ধাপটি পুরণ করলেই কাজ শেষ। কমকওে হলেও ১০টি থেকে ২০ টি ট্যাগ করুন আপনার ভিডিওটির; এবং চেষ্টা করবেন ট্যাগগুলো যেন আপনার ভিডিও রিলেটেড হয়।

চলুন আমরা এতক্ষণ যা পড়লাম তার একটি উদাহরণ দেখে আসি

TITLE  : Comedy Youtube Channel  - Channel Name

DESCRIPTION
Your best funny and comedy youtube channel  (notice the title is repeated in the first line of the description) describe the content of the video repeating important keywords such as the game title, level name and featured game characters. Subscribe for more Videos
TITLE videos: Youtube link Check out Video Title Walk through Part 2
PLAYLIST LINK "Like" me on Facebook FACEBOOK LINK Follow me on
Twitter TWITTER LINK

Tags
"bangla comedy,
bangla funny sms,
bangla comedy natok,
bangla natok comedy,
bangla funny video,
bangla comedy video,
bangla funny natok,

SEO Friendly Title, Description and Tag কিভাবে এড করবেন তা এখানে দেখে নিন 

. ভিডিও তৈরি করুন 
এতক্ষণতো আমার কিভাবে ইউটিউবে ভিডিও আপলোড করবেন, আপলোড করার নিয়মগুলো জানলাম। এবার চলুন যে ভিডিওটি আপনি আপ করবেন তা তৈরি করি।


  • ক্যামেরা এবং লাইটিং আমরা অনেকেই ক্যামেরা এবং লাইটিং এর ব্যবহার সর্ম্পকে ভালোভাবে জানি না। ক্যামেরা এবং লাইটিং এর উপরে সল্প সময়ে একটি কোর্স করে নিতে পারি আমরা। এটি পরবর্তী জীবনে আপনার অনেক কাজে দিবে। ভালো একটি ভিডিও তৈরি করার পিছনে অনেক সাধনা করতে হয়। আর লাইটিং সমন্ধে যদি আপনার ভালো ধারণা থাকে তাহলে আপনি ভালো একটি ভিডিও বানাতে পারবেন। তাই ভালো একটি ভিডিও তৈরি করতে আপনাকে অবশ্যই এই বিষয়গুলো মাথায় রাখতে হবে।
  • এনকোডিং ভিডিওটি যখন বানাবেন তখন খেয়াল রাখবেন এর এনকোডিং এর দিকে। সঠিকভাবে এনকোডিং নির্বাচন না করলে আপনার ভিডিওটি ইউটিউবে লাইভ নাও হতে পারে। আর একটি ব্যপার এনকোডিং যদি ঠিকমতো করতে না পারেন, তাহলে আপনার ভিডিওর রেজুলেশন এতটাই কমে যাবে যার কারণে আপনার ভিডিও আপলোড করার অনুপোযোগী হয়ে যাবে।

. আপনার চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার বাড়ান 
প্রতিদিন সময় করে ইউটিউবের অন্য যে ভিডিওগুলো কয়েক লাখ ভিজিটর আছে সেগুলোতে টিউমেন্ট করুন। টিউমেন্ট টি অবশ্যই এমনভাবে করুন যাতে লেখা থাকবে আপনি তার চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করবেন তার বদলে সে আপনার চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করবে।  আপনি যে ভিডিওগুলো আপলোড করবেন, সেগুলোর বর্ণনাতে অবশ্যই আপনার অন্য ভিডিওর লিংক যোগ করবেন। এছাড়া আপনার ভিউয়ার কে সাবস্ক্রাইব করতে অনুরোধ করবেন। সম্ভব হলে মজাদার জোকস বলে আপনার ভিউয়ার কে সাবস্ক্রাইব করতে বলতে পারেন।  অনেকেই মনে করেন চ্যানেলে অনেকগুলো ভিডিও থাকলে অনেক বেশি সাবস্ক্রাইবার পাওয়া যায়। এটি একটি ভুল ধারনা। আপনি যদি কয়েক শো ভিডিও আপ করেন যেগুলো কোন কাজেরই না, তাহলে আপনি কোনদিনও সাবস্ক্রাইবার পাবেন না, বরং সাবস্ক্রাইবার হারাবেন। কারণ কেউই চায় না অন্যের ভিডিও দিয়ে তার ইফটিউব একাউন্ট ভরে থাক।   ভিডিও আপলোড করার জন্য নির্র্দিষ্ট একটি দিন বেচে নিন; এবং নির্দিষ্ট একটি সময়। কারণ আপনার যারা সাবস্ক্রাইবার তারা ওই দিনটি মাথায় রাখবে, এবং নির্দিষ্ট ওই সময়েই আপনার চ্যানেলে ঢুকবে আপনার ভিডিওটি দেখার জন্য। আপনি যখনই সিডিউল মেইনটেনন করে আপনার ভিডিও আপলোড করবেন, তখন আপনার ভিডিওটি ইফটিউব তার সার্চ রেজাল্টে এক নাম্বারে নিয়ে আসবে। তবে একটি জিনিষ মাথায় রাখবেন যাই আপলোড করেন না কেন, তা যেন সকলের উপকারে আসে। আপনার ভিডিও যখন কারো উপকারে আসবে, তখন আপনি আপনার ভিডিও থেকে উপকৃত হবেন। মানে আপনার ভিডিও থেকে তখন টাকা আসা শুরু হবে।  আর একটি কাজ করতে পারেন আপনার চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার বাড়ানোর জন্য। সেটা হলো অন্যান্য ইউটিউব চ্যানেল ক্রিয়েটরদের সাথে যোগাযোগ করে তাদের বলতে পারেন, যে আপনার   ভিডিওর মধ্যে আপনি তাদের চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার বক্স বসাবেন, বিনিময়ে তারা তাদের ভিডিওর মধ্যে আপনার চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার বক্স বসাবে। এতে দু পক্ষই লাভবান হবেন।

. গোপন ফরমুলা 
আপনাদের সাথে এখন একটি গোপন ফরমুলা নিয়ে কথা বলবো, যে ফরমুলা ব্যবহার করলে অতি সহজে আপনি আপনার চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার বাড়াতে পারেন। আমি নিজেই এই ফরমুলা ব্যবহার করি। ধরুন আপনার চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার ১৫০ জন। এখন আপনার চ্যানেলের ভিডিওর সাথে মিলে যায় এরকম আর একটি চ্যানেল খুজে বের করুন যার সাবস্ক্রাইবার ২৫০ থেকে ৩০০ জনের মত। তাকে একটি ম্যসেজ পাঠান যে আপনি একটি ভিডিও তৈরি করেছেন যাতে বলা আছে এই চ্যানেলটি কি কি কারণে অনেক ভালো। এবং এই চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করলে আপনি আরো ভালো ভালো ভিডিও পেতে পারেন। আপনি এখন চাচ্ছেন তার চ্যানেলে এবং আপনার চ্যানেলে এই ভিডিওটি আপলোড করতে। আপনি আপনার চ্যানেলে যখন এই ভিডিওটি আপলোড করবেন তখন লিংক হিসেবে ওই চ্যানেলের লিংক ব্যবহার করবেন, এবং ওই চ্যানেলের মালিক আপনার লিংক ব্যবহার করবে। এতে করে আপনি মিনিমাম একটি চ্যানেলে থেকে ১০০ থেকে ২০০ এর মত সাবস্ক্রাইবার পেতে পারেন। তাহলে আপনার এখন মোট সাবস্ক্রাইবার দাড়ালো ২৫০ জনে। এবার আপনি খুজবেন ৩০০ থেকে ৫০০ সাবস্ক্রাইবওয়ালা চ্যানেল। এখানেও একই কাজ করবেন। এভাবে আপনার সাবস্ক্রাইবার যত বাড়বে আপনি তার চেয়ে বেশি সাবস্ক্রাইবার ওয়ালা চ্যানেল খুজবেন। এভাবে বাড়তে বাড়তে বাড়তে একদিন নিশ্চয়ই আপনার সাবস্ক্রাইবার কয়েক হাজার ছাড়িয়ে যাবে।
ফেসবুকে আপনার ভিডিওগুলো শেয়ার কিভাবে করলে বেশী ভিউ হবে তা দেখুন নিচের ভিডিওতে :

. আপনার চ্যানেলের বন্ধু বাড়ান 
আপনার চ্যানেলের পেজে যত বন্ধুর আমন্ত্রণ আসবে সব গ্রহন করুন। তাদের সঙ্গে ম্যাসেজ আদান প্রদান করুন। তাদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করুন যাতে তারা আপনার চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করে। আপনিও তাদের যদি চ্যানেল থাকে সেখানে সাবস্ক্রাইব করুন। এতে করে আপনার এবং তার দুজনেরই উপকার হবে, দুজনেরই চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার বাড়বে।

. অন্যের চ্যানেলের ভিডিওতে কমেন্ট করুন 
আপনার চ্যানেলের ভিডিও এর ভিউয়ার বাড়ানোর জন্য অন্যে চ্যানেলগুলোর ভিডিওতে Comment করুন। কখনও ভিডিও কমেন্টে আপনি আপনার চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করতে বলবেন না বা কোন লিংক দিবেন না।

১০. ভিডিও এমবেড কোড 
আপনার যদি অনেক টুইটার ফলোয়ার থাকে, কিংবা অনেক ফেসবুক ফ্রেন্ড থাকে সেক্ষেত্রে আপনার চ্যানেলের জন্য অনেক ভালো। যদি আপনার ৫০ জন ফেসবুক ফ্রেন্ড থাকে তাহলেও আপনার জন্য শুভ সংবাদ। কারণ এরাই আপনার রিয়েল ফ্রেন্ড। ভুয়া ফ্রেন্ড দিয়ে কোন লাভ নাই। আপনি আপনার টুইটার আর ফেসবুকে আপনার ভিডিওটি শেয়ার করুন, তারপর আপনি এই ৫০ জন ফ্রেন্ডকেই বলেন সারাদিনে কয়েক সেকেন্ড বের করতে আপনার জন্য। তারা আপনার ভিডিওটি ৩০ সেকেন্ডের জন্য হলেও দেখবে, একটি করে লাইক দিবে, যদি সম্ভব হয় তাহলে একটি করে কমেন্ট করবে। প্রতিদিন আপনিও তাদের জন্য নতুন নতুন ভিডিও নিয়ে আসবেন। এভাবে আপনার ভিডিও রিলেটেড ফেনবুকে যে গ্রুপগুলো রয়েছে সেগুলোতে জয়েন করুন। সেখানে আপনার ভিডিওটি শেয়ার করুন। এভাবেই দিনে অন্তত ১০ জন করে ফ্রেন্ড আপনি আপনার একাউন্টে যোগ করুন। যকন আপনার ফেসবুক ফ্রেন্ড এর সংখ্যা ৫,০০০ হাজার ছাড়িয়ে যাবে, তখন আপনার চ্যানেলের একটি ভিডিও লিংক এর ভিউয়ার সংখ্যাও বাড়বে। যেখানে আগে প্রতিদিন আপনার ভিডিও এর ভিউ হতো ২০০, সেখানে আপনার ভিউয়ের সংখ্যা বেড়ে দাড়াবে ১০০০ এরও বেশি। একই কাজ আপনি আপনার টুইটার একাউন্টে করতে পারেন। পাশাপাশি অন্যান্য যে সকল সোস্যাল সাইটগুলো রয়েছে সেখানেও আপনি আপনার ভিডিওটি শেয়ার করতে পারেন। এয়াড়া আপনার যদি নিজস্ব কোন ওয়েবসাইট থেকে থাকে তাহলে সেখানেও ভিডিওটি এমবেড করে বসাতে পারেন। এখান থেকেও আপনি ভালো ভিউয়ার পাবেন।

১১. এনোটেশন  
এনোটেশন হচ্ছে আপনার ভিডিওটির ওপর আপনার অন্য এশটি ভিডিও এর লিংক দেয়া। আপনার চলতি ভিডিওটি দেখতে দেখতে আপনার যে কোন ভিউয়ার যেন আপনার অন্য ভিডিওগুলো সর্ম্পকে জানতে পারে, সেজন্য আপনার প্রতিটি ভিডিওতে এনোটেশন ব্যবহার করতে ভুলবেন না। যখন কোন ভিউয়ার আপনার ভিডিওটি দেখবে তখন আপনি যে লিংকটি এনোটেশন করে দিয়েছেন সে যদি সেই লিংক এ ক্লিক করে তাহলে নতুন একটি উইন্ডো ওপেন হবে এবং সে তখন ওই ভিডিওটি দেখতে পাবে। আপনার ভিডিওটি আপলোড হওয়ার পর ভিডিও ম্যানেজারে গেলেই পাবেন এই অপশনগুলো। সেখান থেকে অহহড়ঃধঃরড়হং বাটনে ক্লিক করলেই পৌছে যাবেন এনোটেশন করার পেজে। এরপর আপনি এখান থেকে কার্ড যোগ করতে পারবেন।

১২. সময়  
আপনার চ্যানেলের জন্য সময় অতন্ত্য গুরত্বপূর্ণ। একটি ডাইরিতে নোট করে রাখুন, প্রতিদিন কোন সময়টি আপনি আপনার ভিডিওগুলো আপলোড করবেন। ভিডিও কখনো রাত ৩ টায় আপলোড করবেন না। যদি সম্ভব হয় ভিডিও সকালের দিকে আপলোড করুন। টার্গেট অডিয়েন্স সব সময় ১৮+ চিন্তা করবেন। আর একটি জিনিষ মাথায় রাখবেন আপনার ভিডিও এর বর্ণনাতে যদি সম্ভব হয় এর তৈরির তারিখটি বসাবেন। রবিবার ইউটিউবে ভিউয়ার বেশি হয়, আপনি চাইলে এই দিনটিকে মাথায় রেখে আপনার ভিডিও আপলোড করতে পারেন।

১৩. চেষ্টা করবেন সবার আগে দেওয়ার 
আপনার চ্যানেলকে পপুলার করতে চাইলে সব সময় চেষ্টা করবেন সবার আগে আপনার তৈরি করা ভিডিটি দিতে। যদি আপনি তা করতে পারেন তাহলে অবশ্যই আপনার ভিডিওটি ইউটিউব তার সার্চ রেজাল্টে সবার আগে দেখাবে।

১৪. ভালো ছবি নির্বাচন করুন 
আপনার আপলোড কৃত ভিডিওটি আপনার ভিউয়ারকে আকর্ষণ করার জন্য ভালো একটি ছবি নির্বাচন করুন। আপনার ভিডিওটির কাভার ফটোটি যদি আকর্ষণীয় না হয় তাহলে দর্শক আকৃষ্ট করতে পারবে না, আর দর্শক আকৃষ্ট না হলে আপনার চ্যানেলে ভিউয়ার বাড়বে না। তাই চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার আর ভিউয়ার বাড়াতে চাইলে ভালো ছবি নির্বাচণ করুন।
ভাল টাম্বনেল বানানোর জন্য নিচের ভিডিওটা ফলো করতে পারেন।

১৫. উপসংহার 
আমি বিশ্বাস করি আপনার যদি এই কাজগুলো ধাপে ধাপে করতে পারেন, তাহলে আপনার চ্যানেলের সফলতা অবশ্যই আসবে। মনে রাথবেন কোন কিছুই শেখার উর্দ্ধে নয়, তাই যত পারেন শিখতে থাকুন, একদিন আপনিও হয়তো ইউটিউব নিয়ে আমার মতো কিছু লিখে ফেলবেন। আর আনন্দ নিয়ে কাজ করুন ইউটিউবে। আপনি যদি শুধূ টাকা ইনকাম করার জন্য ইউটিউবে আসতে চান তাহলে এতক্ষন ধরে যা যা পড়লেন তা ভুলে যান। কারণ আপনি যে কাজ করে আনন্দ পাবেন না সে কাজে অন্যকে কিভাবে আনন্দ দিবেন। আর সবচেয়ে বড় কথা ধৈর্য... ধৈর্য... এবং ধৈর্য ধরুন।   আজ এ পর্যন্তই। পরবর্তীতে ইউটিউবের আরো খুটিনাটি বিষয় নিয়ে আপনাদের জন্য কিছু নিয়ে আসবো ইন শা আল্লাহ।
ভাল লাগলে আমার ইউটিউব চ্যানেলেটি ভিজিট করুন এবং সাবস্ক্রাইব করতে ভুলবেন না।

YouTube থেকে আয় করার পূর্নাঙ্গ Tutorial। কিভাবে YouTube থেকে আয় করবেন।

camtasia studio 8 intro templates free download - page 8

Camtasia studio 9 Digital blu presentation free intro template



Camtasia studio Cricles Intro Material Design free intro template



Camtasia studio free intro template



SIMPLE GLASS Camtasia studio free intro template



Camtasia studio 9 2D Intro Free Template



Camtasia studio 9 2D Intro Free Template 18


DOWNLOAD

Camtasia studio 9 beutiful free intro template


Camtasia Studio Intro Templates Free Download - Page 9

আজ আমি আরেকটি গুরত্বপূর্ণ ব্লগার Widget আপনাদের সাথে শেয়ার করব। যারা ব্লগে Google AdSense সহ বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞাপন ব্যবহার করেন, তারা এই Popup Box টি ব্যবহার করে অনেক লাভবান হতে পারবেন। কারণ কেউ যখন আপনার ব্লগে ভিজিট করবে তখন এই Popup Box টি ব্লগের মধ্যখানে শো করবে, যা সবার দৃষ্টিগোচর হবে। ফলে দেখা যাবে আপনার ব্লগে বিজ্ঞাপন ক্লিক বেড়ে যাবে। আর আপনি নিশ্চয় জানেন যে, বিজ্ঞাপন ক্লিক বেড়ে যাওয়া মানেই হচ্ছে আপনার ব্লগের আয় বাড়া।

ব্লগস্পট ব্লগে Google AdSense বিজ্ঞাপনের Popup Box যুক্ত করুন #Add.a.Google.Adsense.Ads.Popup.Box.to.the.blogspot.blog #গুগল এডসেন্স টিউটোরিয়াল #গুগল এডসেন্স একাউন্ট #google adsense কি #ইউটিউব থেকে আয় করার উপায়

অনলাইনে টাকা উপার্জনের যত উপায় আছে তার মধ্যে Google Adsense হচ্ছে সবচেয়ে জনপ্রিয়। Google Adsense হতে নিঃসন্দেহে দীর্ঘ দিন যাবৎ অনলাইন হতে ভালমানের টাকা উপার্জন করতে পারবেন। শুধুমাত্র আপনার ইচ্ছা এবং কিছু পরিশ্রম থাকতে হবে। আসলে আমাদের আজকের বিষয় Google Adsense হতে টাকা আয় করা নিয়ে নয়। আমি আজ দেখাবে কিভাবে ব্লগে Google AdSense বিজ্ঞাপনের Popup Box যুক্ত করবেন। এটি Widget ফরমেটে হওয়া ব্লগে যুক্ত করার জন্য কোন প্রকার বাড়তি ঝামেলা পোহাতে হবে না। নিচের ছোট ট্রিকসটি ফলো করলেই এটি আপনার ব্লগে খুব সহজে যুক্ত হয়ে যাবে।

কিভাবে যুক্ত করবেনঃ  
  1. প্রথমে আপনার ব্লগে লগইন করুন।
  2. ব্লগার ড্যাশবোর্ড হতে Layout এ ক্লিক করুন।
  3. উপরের অথবা যে কোন লেআউট হতে Add Gadget এ ক্লিক করুন। নিচের চিত্রে দেখুন -
ব্লগস্পট ব্লগে Google AdSense বিজ্ঞাপনের Popup Box যুক্ত করুন #Add.a.Google.Adsense.Ads.Popup.Box.to.the.blogspot.blog #গুগল এডসেন্স টিউটোরিয়াল #গুগল এডসেন্স একাউন্ট #google adsense কি #ইউটিউব থেকে আয় করার উপায়

  1. তারপর HTML/JavaScript এ ক্লিক করুন।
ব্লগস্পট ব্লগে Google AdSense বিজ্ঞাপনের Popup Box যুক্ত করুন #Add.a.Google.Adsense.Ads.Popup.Box.to.the.blogspot.blog #গুগল এডসেন্স টিউটোরিয়াল #গুগল এডসেন্স একাউন্ট #google adsense কি #ইউটিউব থেকে আয় করার উপায়
  1. এবার নিচের কোডগুলি কপি করে HTML/JavaScript এর ঘরে পেষ্ট করুন।

ব্লগস্পট ব্লগে Google AdSense বিজ্ঞাপনের Popup Box যুক্ত করুন | Add a Google Adsense Ads Popup Box to the blogspot blog

অনেক দিন যাবত চিন্তা করছেন ইউটিউবে একটা চ্যানেল করবেন কিন্তু কিভাবে, কি টপিকস নিয়ে ভিডিও বানাবেন, ভিডিও বানিয়ে লাভটা কি? আজকে এ বিষয় নিয়ে আলোচনা করব। Era IT ইউটিউব চ্যানেল থেকে আপনাদের সবাইকে স্বাগতম। আমার চানেলে Subscribe করে নিয়মিতভাবে Channel টি ভিজিট করতে থাকুন। অবশ্যই ভাল মানের একটা চ্যানেল করতে পারেন।

ইউটিউবে কাজ করার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন বিষয়টা হল ধৈর্য। ইউটিউবে কাজ করতে হলে অনেক ধৈয্য ধরে কাজ করতে হয়। যারাই ধৈয্য ধরে কাজ করেছেন তারাই আজ সফল। প্রথমে কয়েকজন সফল ব্যক্তিদের সাথে পরিচয় করিয়ে দেই। এবং তারা ইউটিউব থেকে কেমন আয় করেন।

Video Topics :

YouTube নিয়ে কাজ করার আগে যে বিষয়টা নিয়ে সবচেয়ে চিন্তা করতে হয় সে বিষয়টা হল ভিডিও Topics। অর্থাত আপনি কি বিষয় নিয়ে Video তৈরী করবেন। এই টপিক চিন্তা করতে করতে অনেকের বছরের পর বছর সময় চলে যায়। আর যে টপিকটা নিয়ে ভিডিও বানানোর চিন্তা করছে  সেই টপিকটা নিয়ে যখন ইউটিউবে সার্চ করেন দেখে লক্ষ লক্ষ Video। তাই সেই বিষয় নিয়ে আর কাজ করা হয়ে উঠে না। একটা কথা মনে রাখবেন যে টপিকসের কমপিটিশন যত বেশী থাকবে তার Views এবং Visitor's ও  বেশী থাকবে। আর যত বেশী Video থাকবে অন্য Video দেখে আপনি ভিডিও বানানোর আইডিয়া নিতে পারবেন। তাই লক্ষ লক্ষ ভিডিও নিয়ে চিন্তা করার কিছু নেই।  বিষয়টা নিয়ে প্রথমে আপনি খুবই সময় নিয়ে চিন্তা করবেন।
  • আপনি যদি টিম করে কাজ করতে পারেন তাহলে আপনি সর্ট মুভি, ফানি রিলেটেড ভিডিও তৈরী করতে পারেন।
  • নিউজ পড়া বা সংগ্রহ যাদের নেশা বা যারা সাংবাদিক পেশার সাথে জড়িত তারা বাংলাদেশ সহ বিভিন্ন নিউজ নিয়ে কাজ করতে পারেন। আবার টেকনোলজি নিউজ নিয়েও কাজ করতে পারেন।
  • আপনি যদি ট্রাভেলার হন  অর্থাত আপনি যদি ঘুরতে পছন্দ করেন তাহলে বিভিন্ন পর্যটন স্পট নিয়ে ভিডিও তৈরী করতে পারেন। কোথায়, কিভাবে যাবেন এবং কি কি দেখার আছে তা ভিডিওতে উল্লেখ করতে পারেন।
  • মোবাইল, ক্যামেরা বা অন্যান্য প্রোডাক্ট এর রিভিউ নিয়ে ভিডিও তৈরী করতে পারেন।
  • আপনি যদি আইটি প্রফেশনাল হন আইটি বিষয়ক বিভিন্ন টিপস নিয়ে ভিডিও তৈরী করতে পারেন। যেমন আপনি যদি একজন এন্ডোয়েড ডেভেলপার হন তাহলে এন্ডয়েড এপস কিভাবে তৈরী করতে হয় বা এন্ডয়েড এর টিপস নিয়ে ভিডিও তৈরী করতে পারেন।
  • যারা প্রফেশনাল পটোগ্রাফার তারা সুন্দর সুন্দর জায়গার ছবি নিয়ে ভিডিও তৈরী করতে পারেন।
এরকম আরো অনেক টপিকস আছে। টপিকস সিলেকশন এর ক্ষেত্রে গুগুল এবং ইউটিউবের হ্যাল্প নিতে পারেন।
টপিকস সিলেকশনের ক্ষেত্রে একটা বিষয় খেয়াল রাখতে হবে যে আপনি যে বিষয়ে পারদর্শী বা আপনি যে বিষয়টি করতে সবচেয়ে পছন্দ করেন সেই বিষয়ের উপর ভিডিও তৈরী করবেন। কারন ইউটিউবে আপনি এডাল্ট ভিডিও ছাড়া আপনি যে কোন বিষয় নিয়ে ভিডিও তৈরী করে আপলোড করতে পারবেন।
একটা বিষয় অনেকে চিন্তা করতে পারেন অনেকেইত সিনেমা, নাটক বা টিভি নিউজ রেকর্ড করে ইউটিউবে ভিডিও আপলোড করছে। তারা কিভাবে করছে ?
সাধারনত এসব ভিডিওগুলো রেকর্ড করে এডিট করে তারপর অনেকেই তাদের চ্যানেলে আপলোড করে। কিভাবে এডিট করে এবং আপলোড করে তা নিয়ে কথা বলব না। আর ইউটিউবের কাছে এগুলোই কপি রাইট ভিডিও। এই চ্যানেলগুলো সাময়িক হয়ত  আর্ন করছে কিন্তু অল্প কিছু দিন পর সেই চ্যানেল গুলো সাসপেন্ড হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু আপনার একটা ইউনিক ভিডিও চ্যানেল কখনও সাসপেন্ড হবে না।
আর এখন ধীরে ধীরে সকল টিভি চ্যানেল, নাটক গুলো তাদের নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেল আপলোড করছে। এবং তারা যখন ইউটিউবের কাছে রিপোর্ট করছে তখনই অন্য চ্যানেলগুলো  সাসপেন্ড হয়ে যাচ্ছে।
আর ইউটিউব সব সময় ইউনিক ভিডিও পছন্দ করে। তাই কপি রাইট ভিডিও’র কথা চিন্তা না করে ইউনিক ভিডিও তৈরী করেন। সফলতা আসবেই।

ভিডিও তৈরী করে লাভ টা কি?

আসলে এত কষ্ট করে ভিডিও তৈরী করবেন তাতে আপনার লাভটা কি? যেহেতু টপিকসই হল ইউটিউব আর্নিং তা হলে নতুন করে বুঝানোর কিছু নেই যে ইউটিউব থেকে আর্ন করার যায়। কিন্তু কিভাবে আর্ন আসবে। আর ইউটিউবই আপনাকে কেন টাকা দিবে। তাদের লাভ কি।

১. ভিডিও মনিটাইজেশন করে।

আমরা টিভিতে যখন কোন নাটক বা সিনেমা দেখি। টিভি বা সিনেমা নির্মাতারা কোটি কোটি টাকা খরচ করে একটা নাটক বা সিনেমা তৈরী করে তা যখন আমরা টিভিতে দেখি তাতে তাদের লাভটা কোথায়। এর সব গুলো উত্তর হল বিভিন্ন কোম্পানীর এড। যা নাটক বা সিনেমা দেখানোর বিরতীতে প্রচার করে থাকে। ইউটিউবেও আপনি যখন একটা ভিডিও তৈরী করবেন এবং আপনার ভিডিও যখন কেউ ভিউ করবে তখন দেখবেন ভিডিওর মধ্যে এবং পাশে কিছু এড সো করে। আর এই এডগুলোতে যখন কেউ ক্লিক করবে  এবং দেখবে তখনই আপানকে ইউটিউব   একটা % আপনাকে দিবে। আর এটাকে বলে ভিডিও মনিটাইজেশন।

ইউটিউবে আপনি  ৩ টি পদ্দতিতে  আর্ন করতে পারেন।

১. ভিডিও মনিটাইজেশন করে।
২. এফিলিয়েট মার্কেটিং করে।
৩. ভিডিও স্পন্সর করে।

২. এফিলিয়েট মার্কেটিং করে।

ইউটিউবে অনেক ইউটিউবার আছেন যারা ভিডিও মনিটাইজেশন ছাড়াও এফিলিয়েশন করে আর্ন করেন। আর এ ধরনের আর্নিং এর জন্য সাধারনত প্রোডাক্ট রিভিউ টাইপের ভিডিও বানাতে হয়। এফিলিয়েট সাধারনত মার্কেটিং। অথ্যাত আপনি  একটা ক্যামেরা নিয়ে রিভিউ টাইপের ভিডিও বানানেল। আর ভিডিওর নিচে আপনি এই ক্যামেরাটা কোথায় থেকে কিনবেন তার লিংক দিয়ে দিলেন এই লিংকে ক্লিক করে যত লোক এই পোডাক্টা কিনবে তার থেকে আপনি একটা কমিশন পাবেন আর ভিডিও ভিউ এর উপর ত আর্ন থাকছেই। আর এফিলিয়েশন সাধারনত অ্যামাজন, ইবে, ক্লিক ব্যাংক, আলি এক্সপ্রেস এই রকম সাইটেই এই সুবিধা দিয়ে থাকে।

৩. ভিডিও স্পনসর বানিয়ে :

বাংলাদেশে অনেক ইউটিউবার আছেন যারা স্পনসরশিপ নিয়ে ভিডিও বানিয়ে আর্ন করেন। অথ্যাত আপনি একটা ভিডিও বানালেন আর সেই ভিডিওর মধ্যে কোন কম্পানী সম্পর্কে বললেন বা প্রচার করলেন তাতে ঐ কোম্পানী আপনাকে টাকা দিবে। তবে  ভিডিও স্পন্সর পেতে প্রথমে আপনাকে ভাল মানের ইউটিউবার হতে হবে। বাংলাদেশে প্রথম সারির কিছু ইউটিউবার আছেন যারা ভিডিও স্পন্সর তৈরী করে আর্ন করে।

আপনার ভিডিওগুলো যখন ভাল মানের হবে। চ্যানেল Popular হবে তখন Earn এমনিতেই আসবে। তাই আর্নর কথা চিন্তা না করে কাজে নেমে পড়ুন।

এই বিষয়ক ভিডিওটা দেখুন এখান থেকে 


কাজ শুরু করে দিন। ধৈর্য ধরুন। সফল একদিন হবেনই। আর আমি আপনাদের সাথে সহযোগীতার জন্য সব সময় থাকব। সবাই যেন ইউটিউব থেকে আর্ন করতে পারেন তার জন্য বেসিক থেকে শুরু করলাম। নিয়মিত ভাবে আমি ভিডিও আপলোড করতে থাকব। তাই আমার চ্যানেলে Subscribe করে রাখুন

 আর কোন সমস্যায় পড়লে ভিডিওর নিচে  বা এই ওয়েবসাইটে Comment  করুন। 

YouTube এ কাজ করার আগে যে বিষয়গুলো জানা খুবই দরকার।

YouTube এ ভিডিও আপলোড করে যাচ্ছেন। কিন্তু আপনার ভিডিওতে কোন ভিউ নেই বা ইউটিউবে সার্চ করলে আপনার ভিডিও আসে না। আজ যে বিষয় নিয়ে আলোচনা করব তা হলে SEO Friendly Title কিভাবে আপনার ভিডিওতে এড করবেন। 


একটি ভিডিওর টাইটেলের উপরই নির্ভর করে ভিডিও Topics কি। অথ্যাত ভিডিওতে কি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এসইও ফ্রেন্ডলি টাইটেল একটা ভিডিও রেঙ্ক করতে অথ্যাত ভিডিওটি ইউটিউবে প্রথম পেইজে নিয়ে আসতে অনেক গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা পালন করে।  আপনার ভিডিওটি যখন ইউটিউবে প্রথম পেইজে চলে আসবে তখনই ভিউ বাড়তে থাকবে।

আপনি যখন একটি ভিডিওতে  টাইটেল এড করবেন আপনার সেই টাইটেলটি এসইও ফ্রেন্ডলি করতে হলে টাইটেলটি  Must Be Minimum 5 Words এর হতে হবে। টাইটেলে আপনার কিওয়ার্ড থাকতে হবে। তবে টাইটেলের শুরুতে  কিওয়ার্ডটা রাখতে পারলে রেঙ্ককিং এর জন্য অনেক ভাল।

অনেকেই ভাবছেন কিওয়ার্ডটা কি এবং টাইটেলে কিভাবে Keywords এড করব।

কিওয়ার্ডটা হল আপনার ভিডিও Topics এর মূল বিষয় । যে একটি দুটি ওয়ার্ড থেকেই বুঝা যাবে আপনার ভিডিওটি কি নিয়ে তৈরী করেছেন। আরো পরিস্কার ভাবে বলতে গেলে।

যেমন, আপনি windows 10 tips নিয়ে একটা ভিডিও তৈরী করবেন। এবং আপনি মেইন টপিকই হল windows 10 tips । প্রথমে আপনি আপনার মেইন টপিকস নিয়ে ইউটিউবে সার্চ করবেন।  ইউটিউব সার্চ টাকে আপনি ছোট করে দেখবেন না। কারন ইউটিউব সার্চ ইঞ্জিন একটা পাওয়ারফুল সার্চ ইঞ্জিন ।  

আপনি আপনার মেইন টপিকটি দিয়ে ইউটিউবে যখন সার্চ করবেন তখন আপনি দেখবেন আপনাকে Search Result দেখাচ্ছে। আপনি যখন দেখবে আপনাকে ভাল একটা Search Result দেখাচ্ছে তখন ধরে নিবেন আপনার এই কিওয়ার্ড দিয়ে  অনেক সার্চ হয়। তার মানে আপনি এই টপিকস নিয়ে ভিডিও তৈরী করতে পারবেন।  এবং প্রথম পেইজে যে ভিডিও গুলো দেখবেন তারা কি টাইটেল ইউজ করেছে তার থেকে একটা আইডিয়া নিবেন।

এবার আপনার মেইন কিওয়ার্ড যেমন আমি windows 10 tips নিয়ে ভিডিও বানাব সেই মেইন কিওয়ার্ডটা আপনি google Keyword planner এর সার্চ করুন। আর প্রথমে আপনি Google Adwords Tools এ Signup করে নিন। 

Google keyword planner ইউজ করার জন্য আপনি গুগুলে google adwrods দিয়ে সার্চ করুন। এখন adwords.google.com এই লিংকটা ওপেন করুন। এখান থেকে Tools এ ক্লিক করুন এবং keyword planner open করুন।

ডানপাশে আপনার মেইন কিওয়ার্ড windows 10 tips এই কিওয়ার্ড লিখে Get Idea তে ক্লিক করুন।

এখন দেখবেন আপনাকে আপনার মেইন কিওয়ার্ড এর উপর অনেক গুলো কিওয়ার্ড আপনাকে Suggestest করবে। কি চিন্তা হচ্ছে?  এতগুলো কিওয়ার্ড থেকে কিভাবে আপনি একটা কিওয়ার্ড সিলেক্ট করবেন?

আপনি যে কিওয়ার্ড গুলোর Search Vol ৩০০ এ উপরে compitition Low Suggested bid .৫০ সেন্ড  এর উপরে।  এখান থেকে আপনি কয়েকটা কিয়ার্ড সিলেক্ট করে নোটপেডে সেভ করে নিন। এই কিওয়ার্ডটারই যেহেতু সার্চ , কমপিটিশন এবং সাজেস্টেট ভিড ও ঠিক আছে আমরা এই কিওয়ারর্ড নিয়ে কাজ করব। অনেক সময় আপনি যে কিওয়ার্ডটা দিয়ে সার্চ করবেন সেই কিওয়ার্ডের সার্চ ভলিয়ম নাও থাকতে পারে। তখন আপনি নিচে Suggested কিয়ার্ড থেকে নিবেন।

এতক্ষন যা করলাম তা হল Keyword Research । এবং আমরা কিওয়ার্ড রিসার্চ করে একটা কিওয়ার্ড সিলেক্ট করলাম। আর তা হল windows 10 tips এইটা কিভাবে টাইটেলে বসাব তা দেখব।

আপনি আপনার কিওয়ার্ডটি দুইভাবে বসাতে পারেন।

১. আপনার টাইটেল শুরু করতে পারেন আপনার কিওয়ার্ড দিয়ে ।
২. আপনার কিওয়ার্ড এর মধ্যে আপনার কিওয়ার্ডটা রাখতে পারেন।

যেমন :
1.Windows 10 tips and tricks you should know that
2. Best hidden windows 10 tips and tricks for windows users.

আপনার এসইও ফ্রেন্ডলি টাইটেল হয়ে গেল।

আরো বিস্তারিত জানতে ভিডিওটা দেখতে পারেন । ভিডিও দেখুন এখান থেকে


যারা সঠিক নিয়মে ইউনিক কন্টেন্ট নিয়ে কাজ করছেন তারা যেন খুবই তাড়াতাড়ি ইউটিউব থেকে আর্ন করতে পারেন তার জন্য আমি কাজ করছি। আশা করি আমার সাথেই থাকবেন । তার জন্য আমার চ্যানেলটিতে Subscribe করে রাখুন। আরো ভাল ভাল ভিডিও পেতে। 

YouTube Video তে কিভাবে SEO Friendly Title দিয়ে ভিডিও YouTube এর প্রথম পেইজে নিয়ে আসবেন।

যারা YouTube এ কাজ করেন বা যারা প্রফেশনাল ইউটিউবার তা হয়ত অনেককেই জানেন না যে Spamming কি এবং কি করলে স্পামিং হয়। আজ এই বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব। 
অনেকই বিভিন্ন Group এ প্রশ্ন করতে দেখা যায় যে 

”আমি ইউনিক ভিডিও নিয়ে কাজ করি । আমরি চ্যানেলে কোন Copyright Strick বা কোন Community Guidelines Strick নাই তাও কোন আমার চ্যানেল বিনা নোটিসে সাসপেন্ড করে দিল ? ”

এই প্রশ্নটা অনেকেই করে থাকেন তাদের জন্য বলছি আপনার চ্যানেলটি  সাসপেন্ড হয়েছে স্পামিং এর জন্য। চলুন আজ জেনে নেই স্পামিং কি ?

স্পামিং সাধারনত ৩ ধরনের 

1. Video Comments Spam2. Misleading Metadata Spam3. Traffic Spam


1. Video Comments Spam : 

আপনি একটি ভিডিও Comments এ ব্যাক্তিগত কিছু জানাবেন যেমন : আপনার ফোন নম্বর দিয়ে দিলেন, আপনার বাসার ঠিকানা দিয়ে দিলেন কিংবা Video এর নিচে আপনি Facebook Link, Video Link, youtube Channel Link দিয়ে দিবেন তা স্পামিং এমন কি আপনি যদি কোন ভিডিও কমেন্টস এ বলে SUB 4 SUB অর্থ্যাত বললেন আপনি আমার চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন  আমিও আপনার চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করব এটাও স্পামিং। যদি আপনি ভিডিও টপিকসের বাইরে কোন মন্তব্য করেন বা গালাগালি করেন তাও স্পামিং। এই বিষয় গুলো হল Video Comments Spamming। 

2. Misleading Metadata Spam

আপনি যখন অন্য একটা ভিডিও টাইটেল হুবহু কপি করে আপনার ভিডিওতে বসাবেন। আপনার ভিডিও টপিকসের বাহিরে কোন টাইটেল ব্যবহার করবেন। যেমন : আপনার ভিডিওটি হল ফানি বিষয়ক কিন্তু আপনি উল্লেখ করলেন +১৮ টাইপের কিছু টাইটেল। অন্য কোন ভিডিও বা কোন ওয়েবসাইট থেকে কোন লেখা কপি করে আপনার ডেসক্রিপশনে বসালেন বা আপনি ভিডিও টপিকসের বাহিরে Description এড করলেন তাও স্পামিং। এমনকি আপনি যদি হুবহু ট্যাগ কপি করে আপনার ট্যাগে বসিয়ে দেন তাও ইউটিউব স্পামিং হিসেবে ধরে নিবে। আর এই বিষয় গুলোই হল Misleading Metadata Spam। 


3. Traffic Spam

ইদানিং অনেকেই দেখা যাচ্ছে ভিডিও Views, Like, Share, Comments কিনছেন। যাদের কাছ থেকে কিনছেন তারা আপনাকে বলছে রিয়েল । কিন্তু আপনি যদি ইউটিউব কে বোকা মনে করে থাকেন তাহলে আপনি যে কত বড় বোকা তা এখনই বুঝে যাবেন। ইউটিউব যখন দেখবে আপনার ভিডিওতে ভিউ, লাইক, কমেন্টস গুলোর ৯৫% অন্য কোন ওয়েবসাইট থেকে আসা। তখনই ইউটিউব আপনাকে স্পামার হিসেবে মনে করবে। কারন একটা চ্যানেলে কমপক্ষে ৩০%-৫০% ভিউ YouTube থেকে থাকতে হবে। আর  এটা ভিডিওতে যখন ১ লক্ষ ভিউ থাকবে তখন আপনার ভিডিওর পাশে আপনার চ্যানেলে অন্য ভিডিওগুলো চলে আসবে। রিয়েল ভিউয়ার রা আপনার অন্য ভিডিওগুলো দেখবে এবং এক ভিডিও থেকে অন্য ভিডিওতে চলে যাবে। আর আপনি যখন ভিডিও ভিউ কিনবেন তখন একটা ভিডিও ২-৩ সেকেন্ড করে দেখা হবে। তাতে আপনার  চ্যানেলের Bounce Rate অনেক বেশী থাকবে। একটা ভাল মানের চ্যানেল করতে হলে Bounce Rate 30% এর নিচে থাকতে হবে। Bounce Rate যত কম থাকবে তার মানে হল একজন ইউজার আপনি ভিডিওটি অনেক্ষন যাবত দেখচে। আমি অন্য প্রসঙ্গে চলে গিয়েছি। 
তাই আপনি যখন View এর জন্য কোন Auto Generate Website, Tools, Software ব্যাবহার রে ভিউ আনবেন YouTube আপনাকে স্পামার হিসেবে ধরে নিবে। এবং আপনার চ্যানেলটি সাসপেন্ড করে দিবে। 

তাই স্পামিং থেকে দূরে থাকুন। রিয়েল কন্টেন্ট নিয়ে ভিডিও তৈরী করুন।

স্পামিং নিয়ে এই ভিডিওটা দেখতে এখানে ক্লিক করুন 


YouTube বিষয়ক আরও ভিডিও পেতে নিচে দেওয়া আমার চ্যানেটিতে Subscribe করে রাখুন

আমার চ্যানেল 





YouTube Video Spamming কি ? কি করলে ইউটিউব বিনা নোটিসে Channel Suspended করে দেয়।

যে যেখানেই থাকুন সকলকে আমার সালাম ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। আশা করি আমার গ্রুপের সকল মেম্বার ও আমার সকল SUBSRIBER ভাই সবাই ভাল আছেন। ভাল থাকেন সুস্থ থাকে এটাই সবার কাম্য। আজ আপনাদের জন্য ছোট একটি পোস্ট নিয়ে আবারও হাজির হলাম Comment এবং লাইক না পাওয়ার উপযোগী আপনাদের অবহেলিত ছোট ভাই মোঃ আবদুল্লাহ্ । আশা করি যাদের AdSense অ্যাকাউন্ট আছে তাদের কাজে লাগবে আমার এই পোস্টটি। আর যাদের Ad Sense এর Account নাই তাদেরও কাজে লাগবে ভবিষ্যৎ এর জন্য। তাই এক নজর দেখে নেন।

প্রথমে বলেনি আমরা যে ভাবে AdSense এর টাকা Check করবো তা হচ্ছে Google Chrome এর একটি ধারুন Extension এর মাধ্যমে।
AdSense এই Extension টি ব্যবহার করে আপনি গতমাস, চলতিমাস, গতকাল এবং আজ AdSense থেকে কত টাকা Earning করেছেন তা এই Google Chrome এর Extension এর মাধ্যমে চেক করতে পারবেন। এটি আপনার AdSense আকাউন্টে কত টাকা আছে তা দেখাবে Life Time Revenue Data থেকে।

১. প্রথমে এখান থেকে AdSense Extension টি ইন্সটল করে নেন Google Chrome এর জন্য।
২. এক্সটেন্সানটি ইন্সটল করার পর ১ নাম্বার আইকন এর মত একটি আইকন দেখতে পাবেন আপনার ব্রাউজার এর কন্নারে ঐ আ্ইকনে ক্লিক করুন। ক্লিক করার পর নিছের চবিটির মত দেখাবে। এখন এখান থেকে Enable বাটনে ক্লিক করুন।

গুগল এডসেন্স একাউন্ট #গুগল এডসেন্স টিউটোরিয়াল #গুগল এডসেন্স ইউটিউব #গুগল এডসেন্স এর বিকল্প #ইউটিউব থেকে আয় করুন #google adsense কি #adsense bangladesh #youtube adsense



3. এখন আপনার AdSense Account লগইন করুন। লগইন করার পর নিছের ছবিটার মত দেখাবে।ওখান থেকে ALLOW তে ক্লিক করুন।

গুগল এডসেন্স একাউন্ট #গুগল এডসেন্স টিউটোরিয়াল #গুগল এডসেন্স ইউটিউব #গুগল এডসেন্স এর বিকল্প #ইউটিউব থেকে আয় করুন #google adsense কি #adsense bangladesh #youtube adsense

 4. এবার আপনার কাজ শেষ, এখন আপনার আয় করা টাকা দেখতে চাইলে ব্রাইজার এর কোনার কোন্নারের আইকনে ক্লিক করলেই নিছের ছবিটির মত দেখাবে। এখন থেকেই দেখতে পারবেন আপনার সকল আয় করা টাকা।

গুগল এডসেন্স একাউন্ট #গুগল এডসেন্স টিউটোরিয়াল #গুগল এডসেন্স ইউটিউব #গুগল এডসেন্স এর বিকল্প #ইউটিউব থেকে আয় করুন #google adsense কি #adsense bangladesh #youtube adsense
সর্বশেষে আপনাদের একটি বিষয়ে যানাতেই চাই যেঃ যেহেতু এটি একটি গুগল এর অফিসিয়াল এক্সটেনশন, তাই আপনার অ্যাকাউন্ট নিরাপত্তা বিষয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোন কারুন নাই। ভাল হোক মন্দ হোক Comment করে জানালে খুশি হব।

English translate in google.

My greetings and greetings to everybody wherever you are. Hope all members of my group and all my SUBSRIBER brothers are all good. It is good for everyone to be well-advised to be healthy. Today, I have appeared again with a small post for you and your negligent younger brother Md. Abdullah, who is not able to enjoy the like. I hope those who have AdSense accounts will have the advantage of this post. And those who do not have Ad Sense account, they will also be useful for the future. So take a look.

First of all, the way we check the AdSense money is through a narrow extension of Google Chrome.
Using this extension, you can check out the amount of money you earn from AdSense, Monthly, Yesterday and today through this extension of Google Chrome extension. It will show how much money you have on your AdSense account, from Life Time Revenue Data.

1. First of all, install Google AdSense for Google Extensions.
2. After installing Extension, you can see an icon like the number 1 icon, click on that icon in your browser's corner. After clicking, it will look like a whisper. Now click on the Enable button.
3. Now login to your AdSense Account. After logging in, the picture will look like this. From here click on ALLOW.
4. Now your work is done, now you want to see the money you earn, click on the corner of the corner of the broaser, just click on the icon. From now on you can see all the money you earn.
Lastly, you want to know one thing: Since this is Google's official extension, so there is no reason to worry about your account security. Be happy or be happy, I would be happy to comment.

TAG: গুগল এডসেন্স একাউন্ট #গুগল এডসেন্স টিউটোরিয়াল #গুগল এডসেন্স ইউটিউব #গুগল এডসেন্স এর বিকল্প #ইউটিউব থেকে আয় করুন #google adsense কি #adsense bangladesh #youtube adsense

How to check adsense earning without adsense login | AdSense এর টাকা Check করুন AdSense লগইন না করেই

অনলাইনে ঘরে বসে আয় করার অনেক উপায় আছে। আপনার যদি ইচ্ছা থাকে তাহলে ঘরে বসেই খুব সহজে কিছু টাকা উপার্জন করতে পারবেন। সম্প্রতি সময়ে অনলাইন থেকে টাকা উপার্জন করার মাধ্যম গুলির মধ্যে সবচেয়ে সহজ উপায় হলো YouTube এ ভিডিও আপলোড করে টাকা আয়। আপনিও খুব সহজেই YouTube থেকে টাকা উপার্জন করতে পারেন। আজ আমরা আপনাকে দেখাবো কিভাবে YouTube থেকে খুব সহজে টাকা উপার্জন করবেন।
ভিডিও তৈরীর জন্য আপনি দুটি উপায় অবলম্বন করতে পারেন। প্রথমটি হলো ভিডিও ক্যামেরা দিয়ে ভিডিও তৈরি করে YouTube এ আপলোড এবং ২য়টি হলো কম্পিউটারের সাহায্য নিয়ে বিভিন্ন ভিডিও Editing এর মাধ্যমে ভিডিও তৈরি করে করে YouTube এ আপলোড। তবে ভিডিও তৈরির আগে একটি বিষয় মনে রাখতে হবে যে, আপনার ভিডিওটি অবশ্যই মজাদার বা শিক্ষনীয় ও ভালো মানের হতে হবে। কারও কোন ভিডিও নকল করে কিংবা সামান্য পরিবর্তন করে কাজটি করা যাবে না। তাহলে আপনি YouTube এর কাছে কপিরাইটের দায়ে পেসে যেতে পারেন।
ইউটিউব থেকে কত আয় করা যায় #ইউটিউব থেকে আয় ২০১৬ #ইউটিউব থেকে আয় করার উপায় #ইউটিউবে আয় #ইউটিউব চ্যানেল খোলার নিয়ম #কিভাবে ইউটিউব থেকে আয় করবেন? #ইউটিউব এডসেন্স #ইউটিউব থেকে আয় করার সহজ উপায়
কিভাবে YouTube এ Video Upload করে টাকা আয় করবেন?


বাংলাদেশ থেকে কি আয় করা সম্ভবঃ
আসলে YouTube থেকে এখনো বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় নাই টাকা উপার্জন করার জন্য। তবে আপনি যদি আয় করতে চান তাহলে করতে পারবেন। তার জন্য আপনাকে ইউটি্উব চ্যানেল এর Country পরিবর্তন করে Usa বা বাংলাদেশ ছাড়া YouTube Monetized সাপোর্টকৃত দেশগুলির যে কোন একটি দিতে হবে।

 কিভাবে আয় করবেনঃ

  1. YouTube Channel তৈরীঃ প্রথমেই আপনাকে Gmail ID এর মাধ্যমে একটি YouTube Channel তৈরী করে নিতে হবে। YouTube.Com এ গিয়ে Gmail ID এর মাধ্যমে Signup করলেই আপনার YouTube Channel তৈরী হয়ে যাবে।(YouTube Channel খুলুন মাত্র ২ মিনিটে ছবি সহ)
  2. YouTube Partner হওয়াঃ তারপর বামপাশের অপশন হতে My Channel এ ক্লিক করলে আপনার YouTube Channel টি দেখতে পাবেন। আপনার Channel টির নামের উপরে Video Manager নামে আরেকটি অপশন দেখতে পাবেন সেটিতে ক্লিক করুন। এখন বামপাশের Channel অপশনে ক্লিক করার পর ডানে অনেক অপশন দেখতে পাবেন। সেখানে আপনার নামের পাশে থাকা Partner হতে মোবাইল নাম্বার দিয়ে Partner Verified করতে হবে।
  3. ভিডিও আপলোড করাঃ এখন আপনার ভিডিওটি আপলোড করুন। তবে সাবধান কোন প্রকার কপি করা ভিডিও আপলোড করবেন না।সম্পুন্ন নিজের তৈরি করা ভিডিও আপলোড দিবেন। তা না হলে ইউটিউব যে কোন সময় আপনার চ্যানেল Disable করে দেবে সে কথা মাথায় কাখতে হবে, আর ভিডিও আপলোড এর সময় আপনার ভিডিও টি SEO করে নিবেন যাতে ভালো রেংক থাকে এবং বেশি view হয়।
  4. AdSense এ Apply করাঃ আপনার চ্যনেল এর জন্য ‍আপনি যদি AdSense এ Apply করতে চান তাহলে আপনার চ্যানেল আগে লাইপ টাইম view ১০,০০০ হতে হবে। ১০,০০০ view হওয়ার পর, এখন আপনাকে আপনার YouTube Channel এর মাধ্যমে Google AdSense এর জন্য আবেদন করতে হবে। এই AdSense এর মাধ্যমে আপনি টাকা উত্তোলন করবেন। এখন আবার বামপাশের Channel অপশন হতে Monetization অপশনে ক্লিক করে ডানপাশে Enable Monetization বাটন হতে Monetization একটিভ করে নিতে হবে। তারপর উপরের দিকে Monetization নামে আরেকটি অপশন পাবেন। সেখানে associate an AdSense account এ ক্লিক করে Next ক্লিক করে আপনার Gmail ID এর মাধ্যমে লগইন করে যাবতীয় তথ্য দিলেই আপনার AdSense Request চলে যাবে। এখন ২-৩ দিনের মধ্যে আপনার AdSense Approve এর মেইল আপনার ইনবক্সে চলে আসবে।
  5. ভিডিও Monetize করা: AdSense Approve হওয়ার পর আপনার সব কয়টি ভিডিও মনিটাউজ করতে হবে, মনিটাইজ না করলে আপনার ভিডিওতে এড দেখাবেনা।ভিডিও আপলোড দেওয়ার সময় ভিডিওটির নিচের দিকে Monetized অপশন দেখতে পাবেন। এখানে Monetize with ads অপশনে ঠিক চিহ্ন দিয়ে সেব করে দিলেই আপনার ভিডিওটিতে এখন থেকে Google বিভিন্ন বিজ্ঞাপন দেখাবে। তবে সাবধান কোন প্রকার কপি করা ভিডিও আপলোড করবেন না।

 কিভাবে এই আয় বাড়াবেনঃ

  1. ভিডিওটির বর্ণনা দেয়াঃ নতুন ভিডিও আপলোড করার পর সাথে সাথে ভিডিওটি সম্পর্কে তার নিচে বর্ণনা দিয়ে দেবেন। তাহলে YouTube সহজে আপনার ভিডিওটি সম্পর্কে ধারনা পেয়ে যাবে। এতেকরে YouTube নির্ধারিত টপিক অনুযায়ী ভিজিটদের কাছে ভিডিওটি পৌছে দেবে।
  2. নিয়মিত ভিডিও তৈরীঃ নিয়মিত নিত্য নতুন ভালমানের ভিডিও আপলোড করার চেষ্টা করবেন। তাহলে আপনার Channel টির Viewer বাড়তে থাকবে। আর Viewer বাড়া মানেই হচ্ছে আপনার আয় বেড়ে যাওয়া।
  3. ভিডিও শেয়ার করাঃ ভিডিও পাবলিশ করার পর বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম, যেমন-ফেইসবুক, টুইটার, গুগল প্লাস ইত্যাদি সাইটগুলিতে আপনার ভিডিও শেয়ার করতে পারেন।
  4. ব্যাক লিংক তৈরীঃ আপনি যে বিষয় নিয়ে ভিডিও টিউটোরিয়াল বা ভিডিও তৈরী করছেন এরকম অন্য জনপ্রিয় সাইটগুলিতে আপনার ভিডিওটির লিংক দিয়ে দিতে পারেন। এতে করে সেখান থেকেও আপনার সাইটে প্রচুর ভিজিটর পেয়ে যাবেন।

ইতি কথাঃ যেহেতু YouTube হচ্ছে Google কোম্পানির একটি অংশ, সুতরাং আপনি চাইলে এখান থেকে আপনার পরিশ্রম কাজে লাগিয়ে বিশ্বস্ততার সাথে টাকা উপার্জন করতে পারেন। এর সব চাইতে বড় সুবিধা হচ্ছে আপনাকে কোন প্রকার Domain ও Hosting কোনটাই কিনতে হচ্ছে না। তাছাড়া YouTube এর মাধ্যমে খুব সহজেই Google AdSense অনুমোদন পাওয়া যায়। কাজেই আমার মনেহয় এটিই হচ্ছে অনলাইন থেকে টাকা আয় করার সবচেয়ে সহজ, ফ্রি এবং বিশ্বস্ত একটি উপায়।

TAG:ইউটিউব থেকে কত আয় করা যায় #ইউটিউব থেকে আয় ২০১৬ #ইউটিউব থেকে আয় করার উপায় #ইউটিউবে আয় #ইউটিউব চ্যানেল খোলার নিয়ম #কিভাবে ইউটিউব থেকে আয় করবেন? #ইউটিউব এডসেন্স #ইউটিউব থেকে আয় করার সহজ উপায়

কিভাবে YouTube এ Video Upload করে টাকা আয় করবেন? | How To Make Money With Video Upload On YouTube?