11/24/17

আপনার ভিডিও এর Size বা MB কিভাবে কমাবেন?
আমরা যারা ইউটিউবার তাদের একটি কমন সমস্যা হচ্ছে ভিডিওতে এমভি বেশি হওয়া, আনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় ভিডিও ইডিট করার পরে আমাদের ভিডিও এর অনেক বেশি Size হয়ে যায় তার কারনে আমাদের ভিডিও আপলোড দিতে অনেক সময় ও এমভি এর প্রয়োজন হয়।

আপনি চাইলে এই দরনের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন, তবে সে জন্য আপনাকে ভিডিও ইডিট করার পরে ছোট একটি কাজ করতে হবে, কি করতে হবে তা নিছের ভিডিওতে প্রমান সহ দেখানো হয়েছে।

যারা কম্পিউটার ব্যবহার করে তাদের জন্য এই ভিডিও।



আর যারা মোবাইল দিয়ে কাজ করেন তাদের জন্য নিছের এই ভিডিও।


আমারা আসা করি ভিডিও গুলি দেখে আপনি শিক্ষে নিতে পারবেন, কারন ভিডিওতে সুন্দর ভাবে আলোছনা করা হয়েছে, তার পর ও যদি আপনি না বুঝেন, তাহলে নিছে কমেন্ট করে জানাবেন, সবাইকে ধন্যবাদ আমাদের সাথে থাকার জন্য।
কল সেন্টারে কাজ করতে অগ্রহী। তাহলে আপনার জন্য এই পোস্ট!
বর্তমানে আমরা সবাই আমাদের ক্যারিয়ারের জন্য একটি ভালো জব সবাই আশাকরি। আমার মনে হয় বর্তমানে তরুনরা কল সেন্টারে চাকরীর মাধ্যমে ক্যারিয়ার গড়তে বেশ আগ্রহী্ তাই তাদের জন্যই আজ এই উপস্হাপন।”
কল সেন্টারে কাজ করতে অগ্রহী। তাহলে আপনার জন্য এই পোস্ট!
কল সেন্টারে কাজ করতে অগ্রহী। তাহলে আপনার জন্য এই পোস্ট!
বর্তমানের তরুণদের পছন্দসই একটি পেশা হচ্ছে কল সেন্টারের চাকরি। বাংলাদেশে দিনে দিনে বাড়ছে কল সেন্টার। বিভিন্ন মোবাইল অপারেটর ছাড়াও বর্ত মানে বিভিন্ন ব্যাংক, ই-কমার্স  সাইট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান সহ নানা প্রতিষ্ঠান কলসেন্টার চালু করছে তাদের গ্রাহক বা সেবা ভোগকারীদের দ্রুত সেবা প্রদানের লক্ষে। এখানে স্থায়ী চাকরির পাশাপাশি খণ্ডকালীন কাজেরও সুযোগ আছে। ফলে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা লেখাপড়ার পাশাপাশি এই চাকরিতে যুক্ত হচ্ছেন। অন্য চাকরিতে ঢোকার ক্ষেত্রেও এই চাকরির অভিজ্ঞতা বাড়তি যোগ্যতা হিসেবে কাজ করে।

তরুণদের পেশা হিসাবে কল সেন্টারঃ

কল সেন্টারে কাজের সঙ্গে যুক্তদের বেশির ভাগই তরুণ। গ্রামীণফোনের প্রধান মানবসম্পদ কর্মকর্তা কাজী মোহাম্মাদ শাহেদ বলেন, এই পেশায় তরুণেরাই বেশি আগ্রহী। গ্রাহকদের সঙ্গে ফোনে আলাপের মাধ্যমে তাঁদের বিভিন্ন পণ্য, সেবার চাহিদা ও অভিজ্ঞতার বিষয়ে জানা যায়। কেউ প্রতিষ্ঠানের ব্র্যান্ড নিয়ে বিপণন করলে এটি বিপণন জ্ঞান বাড়াতে সাহায্য করে। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে এমবিএ পড়ছেন মঈনুল। পাশাপাশি একটি মোবাইল অপারেটর প্রতিষ্ঠানে খণ্ডকালীন চাকরিও করছেন। তিনি বলেন, এতে করপোরেট সংস্কৃতি সম্পর্কে ভালো ধারণা পাওয়া যায়। এ ছাড়াও এ পেশা আপনাকে মানুষের কাছাকাছি থাকার ও মনোভাব বুঝতে সহায়তা করে।

কল সেন্টারে কাজের ক্ষেত্রঃ

কল সেন্টারের মূল কথা হচ্ছে ফোনের মাধ্যমে গ্রাহকসেবা দেওয়া। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কল সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিংয়ের সভাপতি আহমাদুল হক বলেন, বিটিআরসির নিবন্ধিত কল সেন্টারের সংখ্যা ৮০টির বেশি। তবে তাঁদের সংগঠনের নিবন্ধিত কল সেন্টারের সংখ্যা ৫৬।এই খাতে দিন দিন কাজের চাহিদা বাড়ছে। আগামী কয়েক বছরের মধ্যে এই খাতে ৪০-৫০ হাজার নতুন কর্মী যুক্ত হবে। যা ভবিস্বতে আরও বাড়বে।

কলসেন্টারের কাজের ধরন

বর্তমানে বাংলাদেশের কল সেন্টারগুলোতে দুই ধরনের সেবা দেওয়া হয়—স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক সেবা। স্থানীয় পর্যায়ে সবচেয়ে বেশি এই সেবা দেয় টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠানগুলো। উন্নত দেশের প্রতিষ্ঠানগুলো কল ফরওয়ার্ডের মাধ্যমে তাদের গ্রাহকদের কলটি পাঠিয়ে দেয় নির্দিষ্ট কোনো কল সেন্টারের নম্বরে। কল সেন্টারে কর্মরতদের প্রধান কাজ হচ্ছে গ্রাহকের সঠিক সেবা নিশ্চিত করা। গ্রাহকদের ফোনের মাধ্যমে সেবা দেওয়াই কল সেন্টারের প্রধান কাজ। গ্রাহকদের প্রতিটি কল এক এক ধরেনর হয়, তাই কাজটি একঘেয়ে হয় না।

কলসেন্টারে কাজের যোগ্যতা
বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে যেকোনো বিষয়ে পড়লেই এই চাকরির জন্য আবেদন করা যায়। গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষ জানায়, তারা শিক্ষানবিশ পদের জন্য স্নাতক পর্যায়ে পড়ছেন—এমন শিক্ষার্থী এবং এর ওপরের পদের জন্য স্নাতক পাস নিয়ে থাকে। এ ছাড়া তাঁকে অবশ্যই অফিসের কাজের জন্য মৌলিক কম্পিউটার জ্ঞান থাকতে হবে। শুদ্ধ ভাষায় কথা বলা ও উত্তর দেওয়ার কাজে দক্ষ হতে হবে। শিক্ষার্থীদের জন্য চার থেকে নয় ঘণ্টার মধ্যে বিভিন্ন শিফট আছে। আপনার পছন্দ মত শিফট বাছায়ের সুজোগও দেয় অনেক প্রতিষ্ঠান তবে তা খুব কম ক্ষেত্রে।

যেসব দক্ষতা জরুরি
কল সেন্টারে কাজের জন্য প্রধান দক্ষতা হচ্ছে গ্রাহকের কথা মন দিয়ে শোনা। তাদের সমস্যাকে ভালোভাবে বোঝা। কাজী মোহাম্মাদ শাহেদ বলেন, ‘কল সেন্টারে লোক নেওয়ার ক্ষেত্রে আমরা সাধারণত দেখি কার্যকর যোগাযোগ দক্ষতা, ইতিবাচক মানসিকতা, সহযোগিতা করার মানসিকতা এবং একসঙ্গে বিভিন্ন কাজ করার সামর্থ্য।’ আহমাদুল হক বলেন, এই কাজের যোগ্যতা হলো যোগাযোগের ভালো দক্ষতা। ঢাকায় সফট-কল নামের একটি কল সেন্টারের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা তাসমিনা ক্রোড়ী বলেন, এই পেশায় যাঁরা আগ্রহী তাঁদের ধৈর্যশীল হতে হবে। গ্রাহকের চাহিদা পূরণ করতে হবে।

নিয়োগ প্রক্রিয়া
কল সেন্টার কর্মীদের নিয়োগের ক্ষেত্রে সাধারণত প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের ওয়েবসাইটে ও চাকরির পোর্টালগুলোতে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে থাকে। গ্রামীণফোনের প্রধান মানবসম্পদ কর্মকর্তা বলেন, তাঁরা প্রথমে চাহিদা অনুযায়ী জীবনবৃত্তান্ত দেখেন। পছন্দ হলে আবেদনকারীর মৌখিক যোগাযোগ দক্ষতা পরীক্ষার জন্য কথা বলার যোগ্যতা (ভয়েস) পরীক্ষা করা হয়। এরপর সাক্ষাৎকার ও কর্মভিত্তিক পরীক্ষা নেওয়া হয়ে থাকে।

নিচে িনতুনদের জন্য কিছু চাকরীর পোর্টালের ঠিকানা দেয়া হল।

গ্রামিন ফোনের নিজস্ব পোর্টাল– এখানে ক্লিক করুন এরপর রেজিস্ট্রেশনে ক্লিক করুন। পরবর্তি কাজ গুলো নিজেই বুঝতে পারবেন।

বাংলালিংক এর নিজস্ব পোর্টাল– এখানে ক্লিক করুন এরপর Apply now বাটনে ক্লিক করুন।

রবির নিজস্ব পোর্টাল – এখানে

**এচাড়াও অন্যান্ন জব সাইট গুলোতে কলসেন্টারের বিভিন্ন জব সার্কুলার পাবেন

বেতন–ভাতা ও সুযোগ–সুবিধা

বিভিন্ন কল সেন্টার ঘণ্টা অনুসারে বেতন দিয়ে থাকে। এ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের মানের ওপর বেতন নির্ভর করে। সপ্তাহে দুই দিন ছুটি থাকে। তবে কেউ যদি ছুটির দিনেও অফিস করেন, সে ক্ষেত্রে বাড়তি বেতন দেওয়া হয়। এই পদে থেকে ভালো দক্ষতা দেখাতে পারলে অনেক ওপরের পদে যাওয়া সম্ভব সেই সাথে ভালো অংকের বেতন ভাতা ও পাওয়া সম্ভপর। অনেক সময়ে এসব পদের অভিজ্ঞতা বিভিন্ন চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে অনেক সহায়ক হয়।

সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ।
ভিডিও রেংক করাতে ওয়াচ টাইম বাড়ানোর উপায় কী?
আমরা অনেকেই এখানে ভিডিও মার্কেটর। যারা ভিডিও বানাতে পছন্দ করি। আপনার ভিডিওি গুলি আরও আকর্ষনীয় এবং দর্শকের মনযোগ বৃদ্ধি করার জন্য ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিকের পাশাপাশি যদি ট্রানজিশান সাউন্ড ইউস করেন তাহলে তো কোনো কথায় নায়। এটা আপনার ভিডিওর ওয়াচ টাইম বাড়াতে অনেক কাযর্করী একটা উপায়।
ওয়াচ টাইমের উপর নির্ভর করে ভিডিও গুলো রেংক করে। ওয়াচ টাইম বাড়ানোর জন্য ভিডিওর মাঝে ট্রানজিশান সাউন্ড ইউজ করতে পারেন।

ট্রানজিশান সাউন্ড কি?

এটা হচ্ছে ধরুন আপনি আপনার ফেইসবুকের এড্রেস দিবেন ভিডিওর ভিতরে সেটা হঠাৎ আসবে তখন একটা অন্যরকম সাউন্ড ইফেক্ট ইউস করতে পারেন।
যদি আমার কথা না বুঝেন নিচের ভিডিওগুলোর সাউন্ট ইফেক্টগুলো শুনুন এবং সংরক্ষণ করে রাখুন।
ধন্যবাদ





কিভাবে আপনার Youtube VIDEO তে  ভোট System করবেন।

আসসালামু আলাইকুম। আশা করি ভালো আছেন।
 আজকের বিষয় হচ্ছে কিভাবে আপনার Youtube VIDEO তে
ভোট বা Poll System করবেন। এর মাধ্যমে আপনি Viewers দের
 ভিবিন্ন প্রশ্ন করতে পারবেন এবং কিছু উত্তর বা Option দিতে পারবেন।

  ভিডিওটি দেখতে পারেন

 ১. প্রথমে আপনার YOUTUBE VIDEO MANAGER এ যান।
 ২. যে VIDEO তে Poll Add করবেন, সেই VIDEO টিকে EDIT Mode এ নিয়ে যান।
৩. Edit Page এ যাওয়ার পর, Cards Tab এ Click করুন।
 ৪. এই Page এ আসার পর Add Card এ Click করুন এবং
নিচ থেকে Poll এ Create Click করুন।
৫. এখন ৩টা ঘর আসবে।
        Question, Choice 1, Choice 2

 Question এর ঘরে আপনার Poll এর প্রশ্ন বা যা লিখতে চান তাই লিখুন।
 আর Choice ঘর গুলোতে আপনার উত্তর বা Options গুলো দিবেন।
 আপনি সবোচ্চ ৫টি Option দিতে পারবেন।  

 যদি কোন সমস্যা হয় এই Video টি দেখুন।
 আর আমার Channel টা SUBSCRIBE করবেন ধন্যবাদ।  

11/23/17

কিভাবে Sohag 360 এর মত intro তৈরি করবেন?
কিভাবে Sohag 360 এর মত intro তৈরি করবেন অথবা নিছের intro এর মত তৈরি করবেন?


খুব সহজে যাতে আপনারা intro টা তৈরি করা শিক্ষতে পারেন, তার জন্য নিজে একটা ভিডিও টিউটরিয়াল দিলাম।


Intro Template: DOWNLOAD
একটি মাত্র এন্ড্রয়েড সফটওয়্যারের মাধ্যমে আউটসোর্সিং এর সকল কাজ শিখুন !
হায় বন্ধুরা,

সবাই কেমন আছেন, আশা করি সবাই নিশ্চয়ই খুবই ভালও আছেন, কারন যারা Youtube help bd সাথে থাকে তারা সবসময় ভালও থাকে এটাই শাভাবিক, কারন আমি মনে করি এই সাইট টি ভিসিট করলে সর্বদা নতুন নতুন কিছু শেখা যায়,  আর সবার সাথে শেয়ার করা যায়, আমি প্রায় ১ বছর যাবত প্রতিদিন ভিজিট করি এই সাইট টি,অনেক কিছু শিখেছি অনলাইনে, আজ প্রায় ১ বছর ধরে অনলাইনে ইনকাম করছি, তো ভাবলাম এবার আমার এই জানা তথ্য হয়তোবা অনেকের কাছে অজানা থাকতে পারে, তাই আমার মাধ্যমে হয়তোবা কারও কোন রকম উপকার হতে পারে,
একটি মাত্র এন্ড্রয়েড সফটওয়্যারের মাধ্যমে আউটসোর্সিং এর সকল কাজ শিখুন !
একটি মাত্র এন্ড্রয়েড সফটওয়্যারের মাধ্যমে আউটসোর্সিং এর সকল কাজ শিখুন !
তো বন্ধরা, আজকাল প্রায়ই অহরহ একটি ব্যাপার হয়ে উঠেছি যে অনলাইন ইনকাম তথা আউটসোর্সিং নিয়ে, তাই সে বিশয়েই বলছি, অনলাইন ইনকাম এর আসলে অনেক মাধ্যম আছে, আপনাকে কাজ জানতে হবে, কাজ করার জন্য আপনাকে অনলাইনে ইনকাম করার জন্য আপনাকে ধৌয্য ধরতে হবে, সঠিক নিয়মে কাজ করতে হবে, অনলাইনে  যে সব বন্ধরা নতুন বিশেয করে ফ্রিল্যান্সিং এ নতুন কোন গাইডলাইন পাচ্ছেন না,আসলে তাদেরকে নিয়ে আজকে আমার এই পোস্ট, বন্ধরা  অনলাইন এ যারা নতুন এবং এই নতুন থেকে এক্সপার্ট লেভেলে যেতে চান তাদের জন্য আমি একটি android app সেয়ার করতে চাচ্ছি,এই এন্ড্রয়েড সফটওয়্যারটি আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে,আমি এটি প্রতিদিন ই ব্যাবহার করছ, আপনারাও এটি ব্যাবহার করতে পারেন, এই সফটওয়্যারটিতে আউটসোর্সিং এর সকল কাজ দেখানো আছে,এমন কোন কাজ নেই যে যেটা এই আপের মধ্যে পাবেন না, সফটওয়্যারটিতে ফ্রিল্যান্সিং এর সকল বিশয়ে কাজ করার নিয়ম শেখানো আছে,এমনকি আপনারা আপনাদের কাজের দক্ষতাও যাচাই করে নিতে পারেন,

তবে নিজের দক্ষতা যাচাই করার জন্য আপনার ফোনে ডাটা তথা ইন্টারনেট সংযোগ চালু করতে হবে

সুতরাং বন্ধরা আপনারা সফটওয়্যারটির ডাউনলোড  লিংক নিচে দিয়ে দিলাম,,

>> ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন <<

সফটওয়্যারটি কেমন আমাকে জানাবেন
পোস্ট: সংগ্রহ কৃত।

11/22/17

যেই অ্যাপগুলো স্মার্টফোনের ব্যাটারির আয়ু কমিয়ে দিচ্ছে !
স্মার্টফোনে গেম খেলতে কে না ভালোবাসে। এন্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম হওয়ায় প্লেস্টোরে হাজারো অ্যাপের পসরা। তবে সব অ্যাপেই যে মোবাইলের জন্য উপকারী তা কিন্তু নয়। এর মধ্যেও কিছু কিছু অ্যাপ আছে, যেগুলো ব্যাবহারে আয়ু কমে যায় ব্যাটারির। মোবাইল সিকিউরিটি ফার্ম এভিজি থেকে জানানো হয়েছে, এন্ড্রয়ডে এমন ১০টি অ্যাপ্লিকেশন আছে যা আপনার মোবাইল ব্যাটারির মারাত্মক ক্ষতি করে।
যেই অ্যাপগুলো স্মার্টফোনের ব্যাটারির আয়ু কমিয়ে দিচ্ছে !
যেই অ্যাপগুলো স্মার্টফোনের ব্যাটারির আয়ু কমিয়ে দিচ্ছে !
ক্যান্ডি ক্রাশ সাগা:
অনলাইন দুনিয়ায় সবচেয়ে বেশি খেলা গেমগুলির মধ্যে একটি ক্যান্ডি ক্রাশ সাগা। এভিজি জানিয়েছে, এই গেম মোবাইলের ইন্টারনাল স্টোরেজ অনেক কমিয়ে দেয়, ব্যাটারির চার্জ ফুরোয় দ্রুত এবং ডেটা কনসামশন অনেক কমে যায়।
পেট রেসকিউ সাগা:
অনলাইনে এই গেমটিও খুব জনপ্রিয়। ক্যান্ডি ক্রাশের মতোই এই গেমটিও মোবাইলের ডেটা এবং স্টোরেজ কনসামশন অনেক কমিয়ে দেয়, ক্ষতি করে ব্যাটারির।
ক্ল্যাশ অফ ক্ল্যান্স:
নেট দুনিয়ায় খুবই জনপ্রিয় এই মোবাইল গেম। কিন্তু এভিজির সতর্কবার্তা, এই গেম ব্যাটারির মারাত্মক ক্ষতি করে।
গুগল প্লে সার্ভিস:
গুগল প্লে সার্ভিস থেকে সারা দিন নিত্য নতুন অ্যাপ্লিকেশন বা গেম ডাউনলোড করছেন? সাবধান! এই অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপটি আপনার মোবাইলের ইন্টারনাল স্টোরেজ তছনছ করে দেবে।
ওএলএক্স:
আজকাল বেশিরভাগেরই মোবাইলে এই অ্যাপটি ডাউনলোড করা থাকে। কিন্তু এভিজি জানাচ্ছে, এই অ্যাপটি অধিক মাত্রায় ব্যবহার করলে ব্যাটারির চূড়ান্ত ক্ষতি হয়, ইন্টারনাল স্টোরেজ কমে।
ফেসবুক:
এভিজির তালিকায় ছ’নম্বরে রয়েছে ফেসবুকের নাম। এই অ্যাপটি স্মার্টফোন ব্যাটারির চার্জ দ্রুত কমিয়ে দেয়।
হোয়াটসঅ্যাপ:
সারা দিনই প্রায় এই অ্যাপটি ব্যবহার করেন গ্রাহকেরা। এভিজি জানাচ্ছে, এই মেসেজিং অ্যাপ্লিকেশন ব্যাটারিরও ক্ষতি করে।
লুকআউট সিকিউরিটি অ্যান্ড অ্যান্টিভাইরাস:
এই সিকিউরিটি অ্যাপটি মোবাইলে খুবই জনপ্রিয়। অ্যাপটি ভাইরাস এবং ম্যালওয়ারের হানা থেকে মোবাইলকে বাঁচালেও, ব্যাটারির মারাত্মক ক্ষতি করে বলেই জানাচ্ছে এভিজি।
ওয়েদার অ্যান্ড ক্লক উইজেট:
এভিজির তালিকায় ন’নম্বরে রয়েছে এই অ্যাপ। নেট অন থাকলেই চটজলদি আবহাওয়ার রিপোর্ট হাতে পাওয়া যায়। সঠিক সময়ও দেখিয়ে দেয় অ্যাপ। কিন্তু, মোবাইল ব্যাটারির জন্য এটি মোটেই ভাল নয়।
সলিটেয়ার:
জানেন মোবাইলে জনপ্রিয় এই অ্যাপটি ব্যাটারির জন্য কতটা ক্ষতিকর? এভিজি জানাচ্ছে, এই অ্যাপের বেশি ব্যবহারে মোবাইল ব্যাটারির আয়ু ধীরে ধীরে কমতে থাকে।

11/21/17

ডার্ক ওয়েবে কিভাবে প্রবেশ করবেন? (পোস্ট টি সম্পূর্ণ শিক্ষার উদ্দেশ্যে)
ডার্ক ওয়েব হলো ডিপ ওয়েবের সেই অংশ যেখানে সকল রকম অনৈতিক ও অসামাজিক কাজ হয়। তাই আমি বলবো এই সব ওয়েবসাইটে না যাওয়াই ভালো। যদিও চলে যান তাহলেও কোনো অসুবিধা নেই, কিন্তু এখান থেকে কিছু ডাউনলোড বা কেনাকাটা না করাই উচিত। যদিও বই বা গান(যেগুলো সারফেস ওয়েবে পাবেন না) ডাউনলোড করলেও কোনো ক্ষতি থাকার কথা নয়। কিন্তু ভুলেও অস্ত্র বা ড্রাগ বা কোনো বেআইনি কাজে জড়িয়ে পড়বেন না যেনো FBI CIA-এর মতো সংস্থারা এই সব ওয়েবসাইটগুলিতে নজর রাখার চেষ্টা ক‍রে। একবার শোনা গিয়েছিল FBI নিজেরাই সুপারি কিলারদের নাম করে ফেক ওয়েবসাইট খুলে বসেছিল তাই সাবধান।
ডার্ক ওয়েবে কিভাবে প্রবেশ করবেন? (পোস্ট টি সম্পূর্ণ শিক্ষার উদ্দেশ্যে)
ডার্ক ওয়েবে কিভাবে প্রবেশ করবেন? (পোস্ট টি সম্পূর্ণ শিক্ষার উদ্দেশ্যে)
আর কথা না বাড়িয়ে চলুন জানা যাক কিভাবে ডার্ক ওয়েব অ্যাকসেস করবেন। প্রথম শর্ত হলো আপনাকে নিজেকে লুকিয়ে নিতে হবে অর্থাৎ নিজের IP Adress (Internet protocol Adress) লুকিয়ে নিতে হবে। ডার্ক ওয়েব অ্যাকসেস করার জন্য onion নামের একটা নেটওয়ার্ক আছে। যা ডার্ক ওয়েবে এক্সেস করার গেটওয়ে হিসেবে কাজ করে। এছাড়াও আরো কয়েকটা নেটওয়ার্ক আছে; তবে এটাই বেশি ব্যাবহৃত। এর url শেষ হয় .onion দিয়ে। আর এ নেটওয়ার্কে প্রবেশের একমাত্র উপায় Tor Browser যা আপনি এখান থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারেন। পেজটিতে আপনার অপারেটিং সিস্টেম অনুসারে ডাউনলোড লিঙ্ক পাবেন। ডাউনলোডের পর ইন্সটল করে সফটওয়্যারটি ওপেন করুন। আপনি Tor নেটওয়ার্কের সাথে connect হয়ে যাবেন। এরপরই আপনি আপনার পছন্দের ওয়েবসাইটে যাবার জন্য তৈরি। আরে দাঁড়ান আপনার কাছে তো লিংক নেই। অ্যানড্রয়েড দের জন্য পদ্ধতিটা জেনে নিন তারপর না হয় লিংক এর দিকে নজর দেবেন।

অ্যানড্রয়েড ইউযারদের জন্য
আপনি যদি এন্ড্রয়েড স্মার্টফোন ইউয করেন তাহলে প্রথমে Google Play Store থেকে Orbot ডাউনলোড করে সেট আপ করে নিন। একটা ব্রাউজার ডাউনলোড করতে বলবে আপনাকে। সেটা ডাউনলোড করে ইন্সটল করুন। এই ব্রাউজারটার সাহায্যেই আপনি আপনার এন্ড্রয়েড স্মার্টফোন থেকে ডার্ক ওয়েব এক্সেস করতে পারবেন।

কিছু লিংক
জনপ্রিয় সোশাল নেটওয়ার্কিং সাইট ফেসবুক-ও কিন্তু ডার্ক ওয়েবে পাবেন। https://facebokcorewwi.onion/

ডার্ক দুনিয়ার সার্চ ইঞ্জিন
ডিপ সার্চ– http://xycpusearchon2mc.onion/
টর্চ — http://xmh57jrzrnw6insl.onion/

দ্য হিডেন উইকি
http://kpvz7ki2v5agwt35.onion/

আমেরিকার সিটিজেনশিপ চান বিনা ঝামেলায়??? দাম ১০০০০ ডলার
http://xfnwyig7olypdq5r.onion/

নেদারল্যান্ড, গ্রেট ব্রিটেন, কানাডা, ফ্রান্স, ডেনমার্ক, ইত্যাদি দেশের পাসপোর্ট, আইডেনটিটি কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স চাই???
http://abbujjh5vqtq77wg.onion/

আরো লাগবে এইরকম আকর্ষনীয় সাইটের লিঙ্ক??? নিচের অ্যাড্রেসে গেলেই পাবেন ক্যাটাগরি অনুযায়ী সাজানো প্রচুর লিঙ্ক…
http://torlinkbgs6aabns.onion/
http://dppmfxaacucguzpc.onion/
ডার্ক ওয়েবে আপনাকে স্বাগতম।

বি.দ্রঃ পোস্ট টি সম্পূর্ণ শিক্ষার উদ্দেশ্যে। কোনোরূপ নীতিবিরুদ্ধ কাজের ক্ষেত্রে আমি দায়ী থাকব না।
প্যাটার্ন লক ভুলে গেলে খোলার উপায়, এক নজরে জেনে নিন !
প্যাটার্ন লক ভুলে গেলে খোলার উপায় !
প্যাটার্ন লক ভুলে গেলে খোলার উপায় !
অ্যান্ড্রয়েড ফোনের প্রাইভেসির জন্য আমরা অনেকেই প্যাটার্ন লক ব্যবহার করে থাকি। এই লক খুবই কার্যকরী কারণ এই লক ওপেন করা ছাড়া কেউ ফোনের ভেতরে প্রবেশ করতে পারে না। আবার এই প্যাটার্ন নিজেই ভুলে গেলে দুর্ভোগের শেষ থাকে না। এ সমস্যা থেকে রেহাই পেতে হলে মোবাইল ফোন রিসেট কিংবা কাস্টমার কেয়ারে যাওয়া ছাড়া আপনার হাতে আর কোনো অপশন নাই। কেউ কেউ একে হার্ড রিসেট বলে কারণ এটি সেটের একচুয়্যাল ফ্যাক্টরি সেটিংস ফিরিয়ে আনে। আসুন জেনে নেই কিভাবে আমরা কোনো অ্যান্ড্রয়েড সেট রিসেট দেবো।

প্রথমেই ফোনটির সুইচ অফ করুন, এবার ব্যাটারি ১০ সেকেন্ডের জন্য রিমুভ করুন। আবার ব্যাটারি লাগিয়ে একসঙ্গে ‘up volume key’, ‘Power button’ এবং ‘Home button’ চেপে ধরতে হবে যতক্ষণ না Recovery Mode Screen আসে। স্যামসাং মোবাইলের ক্ষেত্রে উপরের পদ্ধতি কাজ করে।

আবার সিম্ফোনি কিংবা ওয়াল্টন মোবাইলের ক্ষেত্রে মডেল অনুযায়ী ‘up volume key’, ‘Power button’ কিংবা ‘Down volume key’, ‘Power button’ চেপে ধরলেই Recovery Mode Screen চলে আসে এক্ষেত্রে হোম বাটনে চেপে ধতে হয় না।

এরপর ভলিউম কী ব্যবহার করে কার্সর নিচে নামিয়ে ‘wipe data/factory reset’ অপশনে আনুন এবং সিলেক্ট করার জন্য হোমে বাটনে প্রেস করুন। এখন নিশ্চিত করার জন্য আরেকটি স্ক্রিন আসবে এখানে ‘Yes’ বাটন সিলেক্ট করতে হবে।

এবার কিছুসময় অপেক্ষা করুন রিসেট হওয়ার পর আপনার ফোন আপনা-আপনি চালু হবে, ততক্ষন অপেক্ষা করুন।

রিসেট করার সময় আপনাকে যা মনে রাখতে হবে:
১. ইন্টারনাল মেমোরি বা ফোন মেমোরির ইন্সটল করা সমস্ত অ্যাপ ও ডাটা হারিয়ে যাবে।
২. ফোন মেমোরিতে সেভ করা ফোন নাম্বার মুছে যাবে।
৩. আপনাকে আবারও আপনার প্রয়োজনীয় অ্যাপগুলো ইন্সটল করে নিতে হবে।
৪. আপনার কাস্টমাইজ করা সমস্ত সেটিংস মুছে যাবে।
তথ্য ও ছবি : ওএস

11/20/17

লোগো ডিজাইন কি? পুরুটা পড়ুন আর আপনি একজন লোগো ডিজাইনার হয়ে যান।







লোগো ডিজাইন নিয়ে বিস্তারিত
লিখেছেন মোহাম্মদ
     ইমরান হোসাইন

লোগো ডিজাইন করবেন?
আপনাকে স্বাগতম।
বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস গুলোতে সবচেয়ে বেশি চাহিদা রয়েছে লোগোর। এবং শুধু লগো ডিজাইন করে মাসে লাখ টাকার উপরে ইনকাম করছে।  বিশ্বাস না হলে ঘুরে ফাইবর থেকে।
খুব কি সহজ মনে হয় লোগো ডিজাইন করা?
দেখতে তো কতো সাধারণ মনে হয়, তাহলে ডিজাইন করা ও কি অনেক সহজ?
হা যদি আপনার মধ্যে ইচ্ছা থাকে তাহলে খুবই সহজ লোগো ডিজাইন!

লোগো একটা ব্র্যান্ড এর পরিচয়, লোগোর মাধ্যমে দর্শক বুঝবে সেই কোম্পানির কাজ কি, সে কোম্পানি কি করে।তাই লোগো ডিজাইন এ টেকনিক্যাল দক্ষতার পাশাপাশি আপনাকে সৃজনশীল হতে হবে, কি রকম লোগো বানাবেন সেটা নিয়ে প্ল্যান করতে হবে হবে এবং নিয়ম অনুযায়ী এগুতে হবে মোট কথা হচ্ছে আপনি কম্পিউটার টেবিল এ বস্লেন আর কিছু শেপ, টেক্সট আর রঙ দিয়ে লোগো করে ফেললেন ব্যাপারটা একদম এ এরকম না।সবার আগে আপনাকে প্রস্তুতি গ্রহন করতে হবে যেমন

লোগো দেখুন, শিখুন
অনুপ্রেরনা যেকোনো জায়গা থেকে যে কোন সময় আসতে পারে, আর লোগো ডিজাইন এর ক্ষেত্রে যেটা খুব গুরুত্বপূর্ণ।আপনি জানেন না যারা অভিজ্ঞ তাদের লোগো কেমন হয় আপনি হয়তো দেখেন ই নাই তারা কিরকম ডিজাইন করে তাহলে আপনি ভাল লোগো ডিজাইন করতে পারবেন না।তাই আপনাকে লোগো দেখতে হবে, ভাল লোগো, খারাপ লোগো সব দেখতে হবে তাহলে ই আপনি ধারনা পাবেন কিভাবে লোগো ডিজাইন করতে হয়।সে জন্য ইন্টারনেট এ কিছু সাইট আছে সেখানে গেলে আপনি অনেক সুন্দর সুন্দর লোগো দেখতে পাবেন যা আপনার উপকারে আসবে।

যেমন Google, Graphicriver, 99design, greelancer.com এগুলো হাজার হাজার লগো রয়ছে। যা দেখে আপনি আইডিয়া নিতে পারেন। এবং আপনি প্রেকটিসের জন্য এই ডিজাইন গুলো কপি করতে পারেন।
আপনি এখান থেকে বিভিন্ন ভাবে আইডিয়া নিতে পারেন, গুগল আছে সেখান থেকে আইডিয়া নিতে পারেন।সাধারণ ভাবে আইডিয়ার জন্য আপনি সব ধরন এর লোগো ডিজাইন দেখেন আবার আপনি যখন নির্দিষ্ট কোম্পানির জন্য লোগো ডিজাইন করবেন যেমন আপনি রিয়াল এস্টেট কোম্পানির জন্য লোগো তৈরি করবেন একটু দেখে নিন সার্চ করে রিয়াল এস্টেট কোম্পানির লোগোগুলি কি রকম হয়, কোন ভাবে ই নকল করা যাবে না শুধু অনুপ্রেরনা।

পুরুটা পড়ুন আজ্ই  হয়ে যেতে পারেন আপনি একজন লোগো ডিজাইনার।
লোগোর কিছু বেসিক নিয়ম মেনে চলুন

একটি সুন্দর লোগো সব সময় খুব সিম্পল হতে হবে এবং সেখানে একটা মেসেজ থাকতে হবে।সেই কোম্পানির কি করতে চায়, কি ধরনের কোম্পানি সেটা একটা সিম্বল এর মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলতে হবে।সেগুলি করতে হলে আপনাকে লোগো ডিজাইন এর কিছু বেসিক নিয়ম আছে সেগুলি জানতে হবে, নিচে দিচ্ছি
লোগো অবশ্যই সিম্পল হতে হবে – লোগো যদি সিম্পল হয় তাহলে মানুষ সেটা দেখে সহজে বুঝতে পারবে।এমন লোগো আপনি বানালেন যেটা দেখে বুঝতে সময় লাগে অনেক তাহলে সেই লোগো দর্শক গ্রহন করবে না।
আপনার লোগো মনে রাখার মতো হতে হবে – এমন লোগো ডিজাইন  করতে হবে যেটা দর্শকরা মনে রাখবে, তার মানে কিন্তু এই না সেখানে অনেক কালার ব্যবহার করতে হবে, অনেক রকম স্টাইলিশ ফন্ট ব্যবহার করতে হবে ইত্যাদি।আপনার লোগো তখনই মানুষ মনে রাখবে যখন সেটা সিম্পল হবে কিন্তু সেটার মধ্যে একটা স্টোরি থাকবে।

লোগো স্থায়ী হতে হবে- এমন ভাবে লোগো ডিজাইন করবেন যেন সেটা সময় এর সাথে সাথে পুরানো হয়ে না যায় না, সেই কোম্পানিকে যেন এক বছর বছর পর পর লোগো ডিজাইন করার কথা চিন্তা করতে না হয়।বিভিন্ন মার্কেট প্লেস এ দেখা যায় বায়াররা জব পোস্ট করে আগের লোগো পুরানো হয়ে গেছে নতুন করে আধুনিক লোগো বানাতে চায়।আর সেটা আগের লোগো ডিজাইনার এর জন্য খুব সুখকর হউয়ার কথা না।তাই সময় এর সাথে লোগো যেন পুরানো না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে
সব জায়গায় দেখতে ভাল লাগতে হবে- আপনি একটা লোগো ডিজাইন করলেন যেটা অনেক বড় করে বিল বোর্ড এ দিলে দেখতে চমৎকার লাগে আবার একদম ছোট করে বিজনেস কার্ড এ দিলে খুব ই বিশ্রী লাগে, আবার কালার অবস্থায় অনেক সুন্দর লাগে কিন্তু সাদাকালো করলে কিছুই বুঝা যায় না, এখানে ও সিম্পল লোগোর কথা চলে আসবে, আপনার লোগো ডিজাইন যখন অনেক জটিল হয়ে যায় তখন সেই লোগোর সাইজ অথবা কালার  পরিবর্তন করলে অনেক কিছু বুঝা যায় না।
বিসয়বস্তুর সাথে মিলতে হবে- আপনি যে কোম্পানির জন্য লোগো করছেন অথবা কোন ইভেন্ট এর জন্য লোগো করছেন সেই কোম্পানির যে উদ্দেশ্য অথবা সেই ইভেন্ট এর যে বিষয় তার সাথে মিল রেখে অবশ্যই লোগো বানাতে হবে।যেমন একটা বাচ্চাদের খেলনা বিক্রি করে এরকম কোন স্টোর এর লোগো বানাচ্ছেন সেখানে আপনাকে Childish font ব্যবহার করতে হবে এবং কালার ও হতে হবে অনেক ব্রাইট।

আপনার যদি ইচ্ছা থাকে লগো ডিজাইনার হতে তবে আজ থেকেই শুরু করে দিন। প্রেকটিস করতে থাকুন দেখবেন একদিন আপনিও লক্ষ লক্ষ টাকা ঘরে বসে ইনকাম করতে পারবেন শুধু লোগো ডিজাইন করে।

নিচে একটা সিম্পল লোগো ডিজাইন করে দেখানো হলো।




আমাদের লোগো ডিজা্ইনের হেল্প এর জন্য ছোট্র একটা ফেইসবুক গ্রুপ রয়েছে এড হয়ে থাকুন সব ধরণের সহযোগীতা পাবেন।  Graphic Design Help Center
Thank you.

11/15/17

Backlinks এর মাধ্যমে বেশি View নিন | How to Create High Backlinks For Youtube Video | Get More Viewers

আমরা অনেক কষ্ট করে  ভিডিও বানাই। কিন্তু ভিউ খুব কোম। শুরু দিকে ভিউ কোম হয়। এজন্য আপনাকে SHARE করে অন্যদের জানাতে হবে।
তবে Backlinks এর মাধ্যমে খুব বেশি না হলেও কিছু পরিমান Views Collect করতে পারেন। আপনার Video টা অনেক Website এ Submit হয়ে যাবে।
এর মাধ্যমে কিছু পরিমান আবার অনেক বেশিও Views হতে পারে।
Lets Start.....
1. প্রথমে এই Link এ জান।

2. Link Open করার পর এরকম ৩টা জিনিস দেখতে পাবেন-
   
         1. ID-YOUTUBE VIDEO
          2. YOUR YOUTUBE KEYWORD
         3. NUMBER OF BACKLINKS

১ম ঘরে আপনার Video এর ID দিবেন।

২য় ঘরে আপনার Video এর যে Title আছে সেটা দিবেন। সুন্দর দেখে Title দিবেন।

৩য় ঘরে আপনার কয়টা backlink লাগবে সেটা select করবেন।
তবে বেশি দিবেন না, বেশি দিলে এটা Spam হতে পারে। তাই কোম দেখে দিতে
পারেন যেমন: ৫০ টা। এভাবেই করবেন।

যদি কোন সমস্যা হয় এই Video টি দেখুন।
আর আমার Channel টা SUBSCRIBE করবেন ধন্যবাদ।
Backlinks এর মাধ্যমে বেশি View নিন
Backlinks এর মাধ্যমে বেশি View নিন 

মোবাইলের স্কিনে বসিয়ে নিন নিজের ছবি ( ভিডিও সহ) | How to Put Image on Smartphone in Photoshop
মোবাইলের স্কিনে বসিয়ে নিন নিজের ছবি ( ভিডিও সহ) 
আপনি হয়ত দেখে থাকবেন অনেক সময় স্মাট ফোন এর স্কিনে ভেসে আছে ছবি
কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছেন কিভাবে এমন ছবি গুলো  তৈরী করা হয়...?

আপনি চাইলে আপনিও করে ফেলতে পারেন  আপনার  ছবিতে এমন সব চোখ জোড়ানো বাহারি ইফেক্ট।
এর জন্য আপনার কাছে থাকতে হবে একটি Adobe Photoshop এর সফটওয়্যার।
এই সফটওয়্যার দিয়ে কিভাবে কাজ করবেন তা আপনি দেখে নিতে পারেন  এই ভিডিও থেকে
আর নিজের ছবিকে বাহারি সব ইফেক্ট দিয়ে চমকে দিন আপনার বন্ধুদের।
আরো এমন ভিডিও পেতে ঘুরে আসুন এই লিংক থেকে।

11/14/17

Photoshop Tutorial: How to Make a 3D Photo Effect | Create An Easy 3D Effect in Photoshop
Photoshop Tutorial: How to Make a 3D Photo Effect
Photoshop Tutorial: How to Make a 3D Photo Effect
আমরা প্রায় সময় দেখে থাকি 3D পিকচার বা মুভি অনেক রকম 3D কার্ড
 বা নিজের ছবিতে ও পটোশপ দিয়ে এই কাজ করে থাকেন অনেকে। আপনি ও করে নিতে পাবেন আপনার ছবিকে 3D তে রূপান্তরিত, চলুন ভিডিওতে দেখে নেই কিভাবে ইফেক্ট তৈরী করতে হবে।

In this quick Photoshop tutorial we’ll learn how to create a 3D anaglyph effect in Photoshop. This is not only a fun effect but you can also experiment with anaglyph red and cyan 3D glasses . This effect is recommended for black and white photos but also color images with decent contrast. You can even create a 3D version of your time-lapse video. Let’s see how to create this simple effect quickly.

11/11/17

আপনার চ্যানেল এর ভিডিও ভাইরাল করুন রেডিট এর মাধ্যামে!
আপনার চ্যানেল এর ভিডিও ভাইরাল করুন রেডিট এর মাধ্যামে!
রেডিটের জনপ্রিয়তার প্রধান কারন হল এখান থেকে যেকোন পোস্ট অতি সহজেই ভাইরাল করা যায় যার ফলে আপনি অনেক সহজেই আপনার চ্যানেল বা ব্লগ এর জন্যে প্রচুর ট্রাফিক আনতে পারবেন। এই পোস্ট এ রেডিট কিভাবে কাজ করে চলুন দেখে নেইঃ

প্রথমেই আসি আপভোট আর ডাউনভোট : Reddit সাবমিট করা লিঙ্কগুলোর সাথে যে আপ- ডাউন arrow থাকে তা দিয়ে যে কেউ সেই পোস্ট ভাল লাগলে আপবোর্ড আর খারাপ লাগলে ডাউনবোর্ড দিতে পারে ।
কারমা : কারমা হল রেডিট এর পয়েন্ট প্রকাশ করে । আপনি আপনার সাবমিট করা লিঙ্কে যদি একটি আপবোর্ড পান তাহলে আপনার কারমা বা পয়েন্ট একটা বৃদ্ধি পাবে ।কিন্তু আপনি যদি আপনার ওই লিঙ্কে বেশি ডাউনবোর্ড পান তাহলে আপনার এ্যাকাউন্ট ব্যান হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল
সাব রেডিট : সাব রেডিট হল রেডিট এর ক্যাটাগরি গুলোর নাম । এখানে সাধারনত সব ধরনের ক্যাটাগরি ই পাওয়া যায় যা অন্যান্য যেকোন এই ধরনের সাইটে দেখতে পাওয়া যায় না।
স্টিলথ ব্যান : এটার মানে হল আমি যদি নিয়মিত স্পামিং করার ফলে এক সময় আপনি রেডিট এ অটো ব্যান হয়ে যাবেন আপনার জানার আগেই । এর ফলে আপনি আপনার সাবমিট করা লিঙ্ক দেখতে পারলেও অন্যরা তা দেখবে না।
এখন রেডিটে যেভাবে আপনার চ্যানেল বা ব্লগ এর জন্যে প্রচুর ট্রাফিক নিয়ে আসা যায় তা জেনে নেই :

১। প্রথমত অবশ্যই Reddit এ অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে।

২। Reddit এ অন্য সাইটের নতুন এবং ইন্টারেস্টিং টপিকগুলো শেয়ার করুন এবং আপভোটের মাধ্যমে Karma অর্জন করুন।। যখন Karma একটু বেশি যেমন ১৫০ অর্জন করলে তখন থেকেই নিজের লিঙ্ক শেয়ার দিতে পারবেন তবে পাশাপাশি অন্য সাইটের লিঙ্কও শেয়ার করতে পারবেন। অন্যথায় ব্যান খাওয়া অনিবার্য।

৩। যখন টপিকের সাথে প্রাসঙ্গিক সাব রেডিট এ সাবমিট করতে যাবেন তখন ঐ সংলিষ্ট সাব রেডিটের নিয়মাবলী পড়ে নিবেন না হলে স্পাম হিসেবে গন্য হলে ব্যান হতে পারেন।

৪। প্রচুর ট্রাফিকের জন্য বেশি বেশি আপভোটের প্রয়োজন যা আপনার লিঙ্ককে Reddit এর ফ্রন্ট পেইজে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে আর মূলত এটাই Reddit এর প্রধান লক্ষ্য। এর জন্য প্রথমত আপনাকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব প্রথম ১০ আপভোট পেতে হবে যা আপনার লিঙ্ককে নির্দিষ্ট সাব রেডিটে টপে রাখবে।

৫। লিঙ্ক শেয়ার করার সময়ে অবশ্যই ইন্টারেস্টিং টাইটেল দিতে হবে যেন সবাই তা দেখলেই আকর্ষিত করা যায়।

৬। টপিক শেয়ারিং এর জন্য সময়টা অনেক গুরুত্বপূর্ণ । কারন এমন সময়ে শেয়ারিং করলেন মানুষের একটিভিটিস্ট কম Reddit এ তাহলে আপভোট প্রত্যাশা অনুযায়ী পাবেন না। বলা হয়ে থাকে সাধারনত 5pm EST এর পূর্বে শেয়ার করাটা ভাল।

৭। অন্যান্য পোস্টগুলোতে যেগুলোতে প্রচুর পরিমানে আপভোট রয়েছে সেগুলোতে মূল্যবান কমেন্ট করার মাধ্যমে নিজেকে একটিভ করার চেষ্টা করুন। কারন এর মাধ্যমে আপনি ট্রাফিক ড্রাইভ করাতে পারবেন আপনার সাইট বা ব্লগের জন্য।

৮। আর কোনভাবেই একদিনে অনেক লিঙ্ক সাবমিট করা যাবে না । এটা রেডিটের নিয়মের পরিপন্থি। তাই একদিনে একটা লিঙ্ক সাবমিট করাই যথেষ্ট।

রেডিটে সবসময় এই বিষয়গুলা মাথায় রেখে কাজ করতে থাকুন। সাফল্য আসবেই।
একটু সময় নিয়ে কাজ করলে প্রতিটি ভিডিও ভাইরাল করা অসম্ভব কিছু নয়।

সংগ্রহ কৃত : ইউটিউব হেল্প বি. ডি গ্রুগ।